Dilip Ghosh : “বুথের মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাখতে হবে” — দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে ভোটের মাঠে তৃণমূলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ!

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে ফের একবার আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে তিনি রাজ্যের আসন্ন নির্বাচনের (West Bengal Polls 2026) দিকনির্দেশনার বিষয়ে মন্তব্য করেন। দিলীপের বক্তব্য যেন রাজ্য রাজনীতির উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Force) মোতায়েনের দাবিকে তিনি গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করেছেন।

দিলীপ ঘোষ জানান, ভোটের সময় শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী যথেষ্ট নয়। তিনি বলেন, “বুথের ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী না থাকলে অন্য দলের এজেন্টরা ভয় দেখিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারে। অতীতে লোকসভা ভোটে এমন ঘটনা ঘটেছে অনেক জায়গায়। যদি বুথের ভিতরও কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকে, তাহলে সাধারণ ভোটাররাও ভয় মুক্ত হয়ে তাদের ভোট দিতে পারবেন।” এই মন্তব্য যেন রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

দিলীপের দাবি, বুথের ভিতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলে ভোটের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে এবং তৃণমূলের ভোটের সুযোগ কমে যাবে। তিনি আরও বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই দাবি করেছি যে কেন্দ্রীয় বাহিনী শুধুমাত্র রাস্তায় নয়, বুথের ভিতরও থাকতে হবে। তা হলে ভোটে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।” এই বক্তব্যে স্পষ্ট যে, তিনি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নিরাপদ করতে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য বিজেপির পক্ষ থেকে আসন্ন ভোটকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক বার্তা হিসেবে ধরা যেতে পারে। তবে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ইতিমধ্যে সতর্ক করেছে যে, দিলীপকে বেশি মুখ খুলতে হবে না। দিল্লিতে শমীক ভট্টাচার্যকে ডেকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই পরিস্থিতিতে দিলীপ নিজেও জানিয়েছেন, “দল যা বলবে সেটাই হবে। আমি দলের বাইরে নই, নীতি নির্ধারকরা পরামর্শ দেবেন, সেই অনুযায়ী চলব।”

আরও পড়ুনঃ Sexual*harassment : র‍্যা*গিং থেকে যৌন*হেনস্থা—মৃত্যু*র আগে ছাত্রীর ভিডিওতেই বিস্ফো*রক অভিযোগ!কাঠগড়ায় শিক্ষক ও সহপাঠীরা, শিক্ষাব্যবস্থা ফের প্রশ্নের মুখে!

আগামী ৬ তারিখ থেকে দিলীপকে রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক সভায় অংশ নিতে দেখা যাবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সময়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে তার মন্তব্য ভোটারদের মনে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্য তৈরি করবে। ভোটের উত্তাপ বাড়াতে এই ধরনের ধাক্কাধাক্কি কার্যকর হতে পারে। দিলীপ ঘোষের বক্তব্য ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতির কেন্দ্রে, এবং আগামী সপ্তাহে নির্বাচন কমিশনের (ECI) বৈঠক ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে আলোচনা যেন আরও তীব্র হবে।

Khabor24x7 NewsDesk

আরও পড়ুন

RELATED Articles