গণতন্ত্রের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে, রুখে দাঁড়ান! খড়গপুরের সভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে ঢুকে গেছে। এর‌ই মধ্যে রাজ্য সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন খড়গপুরের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন ভয়ে ভয়ে নয়। নির্ভয়ে ভোট দিন। যেখানেই গণতন্ত্রের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হবে, সেখানেই রুখে দাঁড়ান। কড়া ভাষায় পুলিস ও প্রশাসনকে দিলেন সংবিধানের পাঠও।

এদিন সভায় প্রধানমন্ত্রী প্রথমে তোপ দাগেন, বাবাসাহেব ভীমরাও আম্বেদকরের সংবিধান প্রত্যেক ভারতীয়কে ভোটাধিকার দিয়েছে। কিন্তু এই রাজ্যে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় মানুষের সেই ভোট দেওয়ার অধিকার হরণ করে নিয়েছেন। লুঠ করেছেন ভোটাধিকার। এই প্রসঙ্গে ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটের কথা উল্লেখ করেন তিনি বলেন, “২০১৮-তে পঞ্চায়েত ভোটে যেভাবে দিদি আপনাদের অধিকারকে খর্ব করেছে, তা সারা বিশ্ব দেখেছে। যাঁদেরকে সংবিধান রক্ষার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁরাই বাংলায় গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।”

আরও পড়ুন-ইনিই পশ্চিমবঙ্গের ভাবী মুখ্যমন্ত্রী? নরেন্দ্র মোদীর গলায় স্পষ্ট ইঙ্গিত!

এদিন বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট বাংলায় তৃণমূলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বললেন, “আগের নির্বাচনগুলিতে তৃণমূল যা করত, এবার আর তা হবে না। আপনারা আশ্বস্ত থাকুন। সবাই একসঙ্গে রুখে দাঁড়ান। নির্ভয়ে ভোট দিন। পশ্চিমবাংলার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা বদ্ধপরিকর।”

আরও পড়ুন- হাতজোড় করার বদলে পা দেখিয়ে ভোট চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী, মমতাকে তীব্র তোপ শুভেন্দুর

এরপরই তৃণমূল সুপ্রিমো’র উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে মোদী  বলেন, “তবে আমি বাংলার মানুষকে আশ্বস্ত করছি, দিদিকে এবার আর লোকতন্ত্রে আঘাত হানতে সুযোগ দেওয়া হবে না।” একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, “পুলিস ও প্রশাসনেরও মনে রাখা উচিত যে, সংবিধান ও লোকতন্ত্রের চেয়ে বড় কিছু হয় না।” উল্লেখ্য, এদিন সভায় বাংলাতেও তৃণমূল নেত্রী তথা প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যায় মোদীকে।

আরও অন্যান্য খবর