গত কয়েকবছর ধরেই শিক্ষাক্ষেত্রে কোনও নিয়োগ হয়নি। স্কুল সার্ভিস কমিশন, টেট নিয়ে হয়েছে একাধিক বিতর্ক। তবে এবার নতুন ভাবে ক্ষমতায় ফেরার পর শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে জোর দিচ্ছে রাজ্য সরকার। স্কুল সার্ভিস কমিশন সম্প্রতি উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগের ক্ষেত্রে উদ্যোগ নিয়েছে। পুজোর আগে ও পরে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকে নিয়োগ হবে, এমনটাই জানিয়েছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
তবে এ নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। এই নিয়োগ ক্ষেত্রে অনেক অসংগতি রয়েছে, করা হয়েছে অনিয়ম। এমনই অভিযোগ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। নিয়োগ নিয়ে মামলাও হয়েছে ইতিমধ্যেই। এ নিয়ে বেশ সংশয়, উদ্বেগ দানা বেঁধেছে কর্মীপ্রার্থীদের মধ্যেই।
এই প্রসঙ্গে নবান্নের প্রেসরুমে নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। কিন্তু সেই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া তো দূর, প্রশ্ন শুনেই বিরক্তি প্রকাশ করেন তিনি। বলেই দেন, “এখানে আমি শিক্ষা নিয়ে কোনও প্রশ্নের উত্তর দেব না”।
কিন্তু ঠিক কী হয়েছিল?
আসলে, বঙ্কিমচন্দ্রের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে তাঁর ছবিতে মালা দিতে গিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। নবান্নের প্রেসরুমে যেখানে মনীষীদের মাল্যদান করা হয়, সেখানেই গিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।
সেখানেই তাঁকে স্কুল সার্ভিস কমিশন নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। আর তখনই কার্যত মেজাজ হারান ব্রাত্য বসু। বিরক্তি ফুটে ওঠে তাঁর চোখেমুখে। কোনও উত্তর না দিয়েই প্রেসরুম থেকে বেরিয়ে যান তিনি। এবার স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, কেন এমন করলেন তিনি? তবে কী এবারেও নিয়োগ নিয়ে কোনও বাধা আসবে? সেই অস্বস্তি এড়াতেই কী প্রশ্নের কোনও উত্তর না দিয়েই চলে গেলেন শিক্ষামন্ত্রী?






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার