কিছুদিন আগে বিদেশ থেকে ফিরে করোনার টেস্ট না করে তিনি বাড়িতে পার্টি দিয়ে সংবাদের শিরোনামে এসেছিলেন। এবার ফের একবার শিরোনামে, তবে সেটা তাঁর শারীরিক সঙ্কটের জন্য নয়। কোয়ারেন্টিন ওয়ার্ডে পর্দার আড়ালেই মেডিক্যাল গাউন বদলাতে বললে তিনি তাতে সম্মত হননি।
কোভিড-১৯ পজিটিভ আসার পর ২০ মার্চ তাকে চিকিৎসার জন্য লখনউয়ের সঞ্জয় গাঁধী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সাইন্সেস-এ ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন। প্রথমে আইসিইউ এবং পরে কোয়ারেন্টিন ওয়ার্ডে রেখে তাঁর চিকিৎসা করা হচ্ছে।
এই গায়িকার এখনও পর্যন্ত পাঁচবার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এবং প্রত্যেকবারই রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। তাই তাকে হাসপাতালেই থাকতে হচ্ছে এবং কিছু টেস্টের জন্য তাকে মেডিক্যাল গাউনও পড়তে বলা হচ্ছে। কিন্তু তিনি সেই পরিবেশে যে একবারেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছেন না, তাও জানিয়েছেন চিকিৎসকদের।
কণিকা কপূরের পরিবারের তরফে বলা হচ্ছে, তাঁকে যে ওয়ার্ডে রয়েছেন তার পরিবেশ ভাল নয়। সেটিকে নিয়মিত পরিস্কারও করা হয় না। নোংরা জমা থাকে বিভিন্ন স্থানে এবং তাঁকে হাসপাতাল কর্মীদের পরিষ্কার করার জন্য বলতে হয় বলে জানিয়েছেন গায়িকা।
সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে কণিকা নিজে লখনউয়ের হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেছেন, তাঁকে সঠিক ভাবে খাবার ও জল দেওয়া হচ্ছে না। অনেক বলার পর দুটো কলা, একটা কমলালেবু খেতে দেওয়া হয়েছিল, যার ওপর আবার মাছি বসেছিল বলে কণিকার অভিযোগ। হাসপাতালে তিনি অসহায় বোধ করছেন বলেও ওই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন কণিকা।
যদিও হাসপাতাল ডিরেক্টর ডঃ আরকে ধিমান সাফ জানিয়ে দেন, তাঁকে শ্রেষ্ঠ পরিষেবাই প্রদান করা হচ্ছে। এমনকি গায়িকার দেখভাল করার জন্য ৪ ঘণ্টা অন্তর অন্তর কর্মীরা তার ঘর পরিস্কার করছেন, যাতে তাঁর কোনো অসুবিধা না হয়। কণিকা যে অভিযোগ হাসপাতালের বিরুদ্ধে করছেন তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়ে দেন চিকিৎসক আরকে ধিমান।





