টিকল না দুই স্ত্রীর সঙ্গে সংসার। একমাসও হয়নি, এর আগেই সংসারে ধরল ভাঙন। পরিবারের মত নিয়েই দুই প্রেমিকাকে একসঙ্গেই বিয়ে করেছিলেন চন্দ্র বর্মণ রনি। সেই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আলোড়ন ফেলে দেয়। কিন্তু সেই বিয়ের ২২ দিন যেতে না যেতেই এক স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হল তাঁর।
নতুন সংসার পাতার ঠিক ২২ দিনের মাথাতেই অর্থাৎ ১২ই মে এক স্ত্রী মমতার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে রনির। অন্য স্ত্রী ইতি রানীকে নিয়েই সংসার করতে চান তিনি। মমতার পরিবারের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে তাঁদের মেয়ের উপর মানসিক এবং শারীরিক অত্যাচার করা হয়েছে।
তবে এই বিষয়ে রনি বা মমতার কোনও মন্তব্য এখনও পর্যন্ত মেলেনি। কেবল জানা গিয়েছে যে বিয়ের পর থেকেই এমন ত্রিভূজ সংসারের জেরে অশান্তি শুরু হয়েছিল তাদের মধ্যে। এর ফলে মমতার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন রনি।
বলে রাখি, বাংলাদেশের পঞ্চগড়ের আটোয়ারি উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীদার এলাকার বাসিন্দা চন্দ্র বর্মন রনি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, রনির সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল ইতি রানী নামের এক বছর কুড়ি বয়সের তরুণীর। প্রেম চলাকালীনই নাকি তারা স্থানীয় এক মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করে। তবে এই কথাটি গোপনেই রেখেছিল তারা।
আবার কিছুদিন পর রনি বছর আঠারোর মমতা রানী নামে এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। মমতার সঙ্গে রাতে দেখা করতে গিয়ে ধরা পড়ে যায় রানী। এরপর মমতা ও রনির পরিবার তাদের বিয়ের আয়োজন করে। এই কথা জানতে পেরে বাড়িতে অনশন শুরু করেন রনির আগের স্ত্রী ইতি রানী। এরপরই তিন পরিবারের উপস্থিতিতেই দুই প্রেমিকাকে বিয়ে করে ঘরে তোলে রনি।





