মাটি খুঁড়লেই উঠে আসছে হীরের টুকরো। এই ঘটনা নিয়ে শোরগোল পড়েছে সারা এলাকায়। হীরের লোভে শ’য়ে শ’য়ে মানুষ হাজির এলাকাতে। হয়েই চলেছে খননকার্য। সম্প্রতি, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছে মাটি খুঁড়ে কিছু মানুষ হীরের মতো কিছু পাথর পেয়েছেন। ভিডিও ভাইরাল হতেই আশেপাশের এলাকার মানুষও যোগ দিচ্ছেন এই মাটি খোঁড়ার কাজে। হীরে পাওয়ার জন্য প্রচুর মানুষের ভিড়ও জমেছে। এলাকা জুড়ে ছড়িয়েছে উত্তেজনা।

ঘটনাটি ঘটেছে নাগাল্যান্ডের মুন জেলার ওয়ানচিং গ্রামে। জানা জায়, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে এই গ্রামের একটি টিলার উপরের জঙ্গল পরিষ্কার করতে গিয়ে স্ফটিকের মতো কিছু পাথর খুঁজে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। এরপর এই খবর তাদের মুখ থেকেই গোটা গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর লোকমুখে এই কথা আশেপাশের এলাকাতেও চাউর হয়ে যায়। সকলেই মনে করতে থাকেন, ওই স্ফটিকের টুকরোগুলি আসলে হীরের টুকরো।

এরপরই হীরে খোঁজার জন্য চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে ওই এলাকায়। গ্রামের সকলেই টিলার উপর মাটি খোঁড়াখুঁড়ি চালাতে থাকে। এই খোঁড়াখুঁড়িরই একটি ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিও দেখেই ভিড় জমে গেছে ওয়ানচিং গ্রামে। এলাকায় ভিড় এতো বেশি হয়ে গেছে যে স্থানীয় পঞ্চায়েতের তরফে ওই গ্রামে বহিরাগতদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও বা খবরের কোনও পোস্টের উপরেও পড়েছে বিধিনিষেধ। যে স্ফটিকগুলি উদ্ধার হয়েছে, তা আসলে হীরে কী না, তা যাচাই করে দেখবেন চার ভূতাত্ত্বিক।

সূত্রের পাওয়া খবর অনুযায়ী, ওই অঞ্চল বেশ দুর্গম। তাই ভূতাত্ত্বিকদের পৌঁছতে কয়েকদিন সময় লাগবে। জানা গিয়েছে আগামী ৩০শে নভেম্বর থেকে ১লা ডিসেম্বরের মধ্যেই ওয়ানচিং গ্রামে পৌঁছবেন তারা। ভূতাত্ত্বিকরা এই স্ফটিকগুলি পরীক্ষা করে রিপোর্ট জমা দেবেন। মন জেলার ডেপুটি কমিশনার জানান, স্ফটিকের টুকরোগুলি আদৌ হিরে কিনা সে বিষয় নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। স্ফটিকগুলি কোয়ার্টজ জাতীয় পাথরের ভগ্নাবশেষও হতে পারে বলে তিনি মনে করছেন।





