গোল বেঁধেছিলো বুধবার। যখন আমেরিকার সংসদে ইলেকটরাল কলেজের সংশাপত্রের সময় আচমকা বিদায়ী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকরা হামলা চালায়। পুলিশদের হতচকিত করে সংসদ ভবনে প্রবেশ করে ভাঙচুর করে তাঁরা।
উল্লেখ্য সেই সময় ক্যামেরায় ধরা পড়ে, ক্যাপিটল হিলের বাইরে যাঁরা ভোটে কারচুপি হয়েছিল বলে প্রতিবাদ করছিল, তাঁর মধ্যে একজনের হাতে রয়েছে ভারতীয় জাতীয় পতাকা। সুদূর আমেরিকা থেকে ভারতে শুরু হয় গুঞ্জন।
আর এবার মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারে বিজেপি সাংসদ বরুণ গান্ধী অভিযোগ করলেন ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। নাম ভিনসেন্ট জেভিয়ার। আদপে কেরালার এই মানুষ বহুদিন ধরেই মার্কিন মুলুকে আছেন। রিপাবলিকান পার্টির সমর্থক তিনি।
Dear @ShashiTharoor, now that we know that this lunatic was such a dear friend of yours, one can only hope that you and your colleagues were not the silent 🤚 behind this mayhem. pic.twitter.com/bedkef7ZLc
— Varun Gandhi (@varungandhi80) January 8, 2021
এরপর টুইটেই বরুণ শশীকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন করেন তিনি কি তাঁর বন্ধুদের নিঃশব্দ সমর্থন করেছিলেন? জবাবে থারুর বলেন যে তিনি দাঙ্গাকারীদের সঙ্গে দেশের পতাকা থাকা কোনও ভাবেই মেনে নেন না।
Disapproved of it totally. Do you consider yourself responsible for the misguided actions of every well-wisher? I denounce any attempt to bring my country’s beloved flag into a shameful American mob.
— Shashi Tharoor (@ShashiTharoor) January 8, 2021
প্রসঙ্গত, থারুরের সঙ্গে জেভিয়ারের ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তারপরেই তড়িঘড়ি এই সাফাই দেন কংগ্রেস সাংসদ। তার আগের দিন বরুণ গান্ধী প্রথম এই ভিডিওটি টুইট করেন যেখানে এক ভারতীয় পতাকা দেখা যায় বাকি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে। তখন থারুর কিছুটা শ্লেষের সঙ্গে বলেন যে অনেক ভারতীয় আমেরিকায় আছেন যাঁরা ট্রাম্প সমর্থকদের মানসিকতায় বিশ্বাসী। তাঁদের কাছে পতাকাটি মর্যাদার প্রতীক নয় একটি অস্ত্র ও যাদের সঙ্গে তাদের মতের মিল হয়না, তাদেরকে দেশবিরোধী তকমা দেওয়া হয়। থারুরের ইঙ্গিতটা কোন দিকে ছিল, সেটা বোঝাই যাচ্ছে।
জানা গিয়েছে ভিনসেন্ট জেভিয়ার পালাথিঙ্গল ওরফে ভিনসন পালাথিঙ্গল আদতে কোচির বাসিন্দা। এখন মার্কিন মুলুকে ভার্জিনিয়ার ফেয়ারফ্যাক্সে থাকেন তিনি। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার তিনি। ওখানে নিজের ব্যবসা আছে তাঁর। বর্তমানে আমেরিকায় স্থিত সবচেয়ে বড় মালয়ালি সংগঠনের ভাইস প্রেসিডেন্টও তিনি।





