করোনা ভাইরাস তার হাতের মুঠোয় আস্টেপিষ্টে বেঁধে রেখেছে গোটা বিশ্বকে। আর এই অতিমারীর জন্মদাতা হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে চিনকে। চিনের জিনপিং সরকারের বিরুদ্ধে ১৫০ লক্ষ কোটি টাকার মামলা দায়ের করলেন এক মার্কিন আইনজীবী। টেক্সাসের আদালত এই মামলার পিটিশন জমা হয়ে গেছে বলে খবর। মার্কিন আইনজীবীর সাথে মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম ওয়াচ ও বাজ ফটোস জোট বেঁধে চিনের সেনা, ইউহানের জীবাণু গবেষণা কেন্দ্রের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছে। তাঁদের অভিযোগ, করোনা ভাইরাসের আবির্ভাব কোনও প্রাকৃতিক ঘটনা নয় এটি মনুষ্য সৃষ্ট। চিন তার গবেষণাগারেই এই জীবাণু তৈরি করছিল। যার প্রভাবেই এখন হাজার হাজার মানুষ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
আদালতে করা অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘এই মারণ করোনা ভাইরাসটিকে চিন একটি জৈব অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল। কিন্তু কোনো ভাবে সেটি গবেষণাগার থেকে বাইরে চলে আসে। এক্ষেত্রে এটি দুর্ঘটনা বশত বাইরে আসে নাকি ইচ্ছাকৃত তা নিশ্চিত রূপে বলা যাচ্ছে না।’
যুদ্ধের এইরূপ মারণ অস্ত্র তৈরি করা কার্যত দন্ডনীয় অপরাধ। চিন শুধু মার্কিন আইন লঙ্ঘন করেনি পাশাপাশি আন্তর্জাতিক আইন, চুক্তি ও নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। তারা আরো অভিযোগ করেন, ‘চিন তাদের বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত শক্তিশালী দেশকে ধ্বংস করতেই এই মারণ ভাইরাস তৈরি করেছে। ইউহানের ল্যাবরেটরিতেই এই ভাইরাসের চাষ করছিল চিন। এর পাশাপাশি চিনের থেকে ২০ ট্রিলিয়ন ডলার বা ১৫০ লক্ষ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে।
করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জন্য এর আগেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চিনকে দায়ী করেছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কয়েকদিন আগে করোনাকে ‘চিনা ভাইরাস’ নামে আখ্যায়িত করেছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে ইউহানে করোনা সংক্রমণ শুরু হয়। এরপর চিনে শুরু হয় হাজারো মানুষের মৃত্যু। মাস তিনেকের মধ্যে এই মহামারি তারা নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততদিনে গোটা বিশ্বে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। ইউরোপ, আমেরিকায় এখন দিনে দিনে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। আমেরিকায় আক্রান্ত-এর সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে।





