জুমার জামাত বন্ধ করাই এখন পাকিস্তানের অন্যতম চ্যালেঞ্জ। জুমার নামাজের জন্য জমায়েত বন্ধ করতে গিয়ে এবার হামলার মুখে পড়লেন করাচির এক মহিলা পুলিশ আধিকারিক। আক্রমনের মুখে তিনি সামান্য আহতও হয়েছেন। কোভিড-১৯ এর জন্য বর্তমানে সমস্ত ধর্মীয় স্থান, অনুষ্ঠান বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু সেই নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েই পাকিস্তানে মসজিদে মসজিদে চলছে নামাজ পাঠ।
বেসরকারী সংবাদসংস্থা ‘দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন’-এর খবর অনুযায়ী, স্থানীয় হাক্কানী মসজিদে জুমার নামাজ পড়তে লোক জড়ো হচ্ছে বলে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছান পিরাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক শরাফত খান। তিনি সবাইকে বাড়িতে নামাজ পড়তে বললে একদল ক্ষিপ্ত ব্যক্তি তাঁর উদ্দেশ্যে পাথর ছুঁড়তে শুরু করে। এর ফলে আহত হন তিনি।
এই ঘটনার একটি ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। রিপোর্টে বলা হয়েছে, পুলিশ মসজিদ প্রশাসন ও অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের কয়েকটি ধারায় মামলা দায়ের করেছে পাকিস্তান সরকার এবং তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে।
Karachi SHO Sharafat Khan assaulted by worshipers congregating for Friday prayers in Karachi’s Haqqani mosque. Despite the Coronavirus lockdown some local imams gather people and create such issues for police. pic.twitter.com/1EnpUFwT29
— Naila Inayat नायला इनायत (@nailainayat) April 10, 2020
তিন থেকে পাঁচজনের বেশি কেউ জুমার নামাজে অংশ নিতে পারবে না বলে ইতিমধ্যেই নির্দেশিকা জারি করেছে পাকিস্তান সরকার। প্রাদেশিক সরকারগুলিও মানুষকে মসজিদ থেকে দূরে থাকার জন্য বোঝাতে চেষ্টা করছে। তবে খুব বেশি সাফল্য এখনও হাতে আসেনি।
সিন্ধু প্রদেশ সরকার লোকদের জুমার নামাজে যোগ দিতে বাধা দেওয়ার জন্য দুপুর বারোটা থেকে দুপুর তিনটা পর্যন্ত সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেছে। এত বিধিনিষেধ সত্ত্বেও, ৫ই এপ্রিল ইসলামাবাদের একটি বিশিষ্ট মসজিদে জুমার নামাজের জন্য প্রায় ৪০০ লোককে জড়ো করার জন্য একজন ইমামের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল।
সর্বশেষ সরকারী পরিসংখ্যান অনুসারে পাকিস্তানে কোভিড -১৯-এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪,৭৮৮ এবং মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৭১-এ।





