রূপঙ্কর বাগচির গান বন্ধ করা হয়নি ‘ভূতের রাজা দিল বর’ রেস্তোরাঁয়, কী জানাল রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ?

কেকে-কে নিয়ে অপমানজনক মন্তব্যের জেরে কলকাতার নামী রেস্তোরাঁ ‘ভূতের রাজা দিল বর’ তাদের রেস্তোরাঁ রূপঙ্কর বাগচির গান বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এমনই একটি খবর সকাল থেকেই শোনা যায় নানান দিকে। সোশ্যাল মিডিয়াতেও একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে।

সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি কাচের উপর সাদা পাতায় একটি নোটিশ লেখা। তাতে ইংরেজি হরফে লেখা, ‘ভূতের রাজা দিল বর’। আর এর নীচে লেখা একটি বার্তা। লেখা রয়েছে, “পাবলিক ইন্টারেস্ট এবং এজিটেশন এর কথা মাথায় রেখে রূপঙ্কর বাগচির গান না বাজানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। আমরা ক্ষমাপ্রার্থী”। আর এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যে তাহলে কী এই রেস্তোরাঁতে আর রূপঙ্করের গান শোনানো হবে না?

এই প্রসঙ্গে এক সংবাদমাধ্যমে যাদবপুর শাখার ‘ভূতের রাজা দিল বর’ রেস্তোরাঁর কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, “এই নোটিশের সঙ্গে রেস্তোরাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। আমাদের থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমরা কেবলমাত্র সত্যজিৎ রায়ের ছবির গানই চালাই। একজন শিল্পী কী বলেছেন, কী করেছেন তার সঙ্গে আমাদের গান চালানোর সিদ্ধান্তের কোনও বদল হয়নি। আমরা কোনও বিতর্কে জড়াতে চাই না”।

এখানেই শেষ নয়। কর্তৃপক্ষের তরফে আরও বলা হয়, “এটা আমাদের লেটারপ্যাডও নয়। কেউ যাদবপুরের রেস্তোরাঁর বাইরে এই ছবি লাগিয়ে তা পোস্ট করে দেয়। আমরা থিমের কথা মাথায় রেখেই অন্য কোনও শিল্পীর গান চালাই না। তাই বন্ধ করে দেওয়ার পদক্ষেপের কোনও প্রশ্নই ওঠে না”।

রেস্তোরাঁর তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয় যে এই পোস্টারের সঙ্গে রেস্তোরাঁর কোনও সম্পর্ক নেই। বলে রাখি, সম্প্রতিই কেকে-কে করা রূপঙ্করের মন্তব্যের জেরে মিও আমোরে-র তরফে রূপঙ্করের গাওয়া তাদের জিঙ্গল প্রত্যাহার করা হয়েছে। নেটজেনদের রোষের মুখে পড়ে ওই জিঙ্গল বন্ধ করে দেয় কেক প্রস্তুতকারী সংস্থা। গত ১লা জুন থেকে ওই সিদ্ধান্ত কার্যকরী হয়।

এ প্রসঙ্গে মিও আমোরের মার্কেটিং বিভাগের আধিকারিক অভিষেক মুখোপাধ্যায় এক সংবাদমাধ্যমে জানান, “গত ১ জুন থেকে আমাদের এই বিজ্ঞাপনী জিঙ্গল তুলে নেওয়া হয়েছে। এটি কেবলমাত্র রেডিয়োতেই চলত। তবে আর এটি চালানো হবে না। আগামীদিনে আমরা অন্য কোনও ভাবনা নিয়ে, অন্য কোনও জিঙ্গল নিয়ে আসব”।

RELATED Articles

Leave a Comment