তিনি নাকি রাজ্য প্রশাসনকেও তোয়াক্কা করছেন না। তিনি অর্থাৎ কেন্দ্রীয় সরকারের তৃণমূল সাংসদ অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। অভিযোগ উঠেছে লকডাউনেই নাকি ছাড়পত্র দিচ্ছেন সাংসদ মিমি চক্রবর্তী! এটা কি সত্য? সাংসদ মিমির একটি স্ট্যাম্প মারা অনুমতি পত্র দেখিয়ে; এমনটাই প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি কর্মীরা। বিজেপির তরফ থেকে প্রশ্ন তোলা হয়েছে; ‘সাংসদ মিমি চক্রবর্তী নিজের মতন করে আইন তৈরি করছেন; না-কি অনুপ্রেরণায়?’ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে প্রশ্ন তোলা হয়েছে; বিরোধী জনপ্রতিনিধিরা যেখানে দুঃস্থ মানুষকে ত্রাণ দেওয়ার জন্য ব্যস্ত; প্রশাসনের বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন; সেখানে সাংসদ মিমি চক্রবর্তী নিজেই প্রশাসনের তোয়াক্কা না করে ছাড়পত্র দিয়ে দিচ্ছেন?
তা কিসে ছাড়পত্র দিয়েছেন সাংসদ? দেখা গিয়েছে, একটি সাদা কাগজে সাংসদ মিমি চক্রবর্তী অনুমতি দিচ্ছেন যে; সাংসদ প্রতিনিধি হিসাবে গৌরব গাঙ্গুলিকে নিয়োগ করা হল। সাংসদ প্রতিনিধি হিসাবে গৌরব গাঙ্গুলির বাইকের নাম্বারও দেওয়া আছে ওই কাগজ-এ। এই অনুমতি কি দিতে পারেন একজন সাংসদ? উঠেছে প্রশ্ন। কারণ এই ছাড়পত্র দিচ্ছে একমাত্র রাজ্য সরকার এর পুলিশ ও প্রশাসন। আর এই নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি কর্মীরা।

যদিও এই অনুমতি পত্রে শুধুই সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর স্ট্যাম্প আছে তাও আবার সাদা কাগজে। এটা সাংসদ মিমি চক্রবর্তী নিজে ইস্যু করেছেন কিনা সেটাও একটা বড় প্রশ্ন। যদিও এই নিয়ে সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর কোন মন্তব্য এখনও পাওয়া যায় নি। তবে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে মিমির নামে স্ট্যাম্প মারা ওই অনুমতি পত্র।





