মে মাসের শুরুতেই ভারতের পূর্ব উপকূলের কিছু অংশ এবং বাংলাদেশে তান্ডব চালিয়ে গিয়েছে ‘ফণী’। পূর্ব থেকেই সতর্কবার্তা থাকায় প্রাণহানী কমানো গেলেও তা সম্পূর্ণ ভাবে রুখে দেওয়া যায়নি। ওড়িশা কার্যত পরিণত হয়েছিল ধ্বংসস্তূপে। এখনও সেই ‘ফণী’ প্রভাব থেকে পুরোপুরি ভাবে মুক্ত হতে পারেনি ভারত এবং বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা, তার আগেই মে মাসের শেষে কিংবা জুন মাসের শুরুতে ফের তৈরী হতে পারে ঘূর্ণিঝড় বায়ু।
আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, বঙ্গোপসাগরে ইতিমধ্যেই তৈরী হচ্ছে একটি নিন্মচাপ৷ এটিই ক্রমে একটি ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়াবিদরা৷
আবহাওয়াবিদদের তথ্য অনুযায়ি এই মাসের শেষে কিংবা জুন মাসের প্রথমের দিকে এই নিন্মচাপটি একটি পূর্ণাঙ্গ ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়ে আছড়ে পরতে পারে৷ তবে সেক্ষেত্রে এই নয়া ঝড়টির গতিপথ কি হতে চলেছে তা এখনও জানানো সম্ভব হয়নি আবহাওয়া দপ্তরের তরফে।
অপরদিকে দক্ষিণবঙ্গে নেই কোনো বৃষ্টির লক্ষণ। ফের শুরু হয়েছে অস্বস্তিকর গরম। আবহাওয়া দপ্তরের কাছেও নেই কোনো বৃষ্টির পূর্বাভাস। তবে স্বস্তির আবহাওয়া উত্তরবঙ্গের তিন জেলায়। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি এবং দার্জিলিং জেলা শিলিগুড়ি -র আবহাওয়া বেশ মনোরম। দিনে রোদ থাকলেও প্রতি রাতে প্রায় বৃষ্টি হয়ে চলেছে এই তিন জেলায়। ফলস্বরূপ তাপমাত্রা রয়েছে বেশ কমই। স্বস্তিতে এই তিন জেলার বাসিন্দারা।





