এ তো কিছুই নয়! করোনার ভয়াবহতা প্রকাশ পাবে মে’র প্রথম সপ্তাহে! আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

ভারতে দিন দিন বেড়ে চলেছে নোভেল করোনা সংক্রমণ। বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যাও। ভাইরাস প্রতিরোধে লকডাউন বেড়েছে ৩রা মে পর্যন্ত‌। কিন্তু এত কিছুর পরেও আশার আলো কতদূর দেখা যাবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে আশঙ্কার কালো মেঘ। সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছবে ভারত। এই সময়ই সমগ্র দেশে বাড়বে করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। একটি অভ্যন্তরীণ সরকারি মূল্যায়ন থেকে এমনটাই প্রকাশ পেয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে তার পর থেকে আক্রান্তের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমার সম্ভাবনা আছে।

যদিও দেশব‍্যাপী লকডাউনের ফলে এই সংখ্যা থাকবে অনেকটাই কম। যে সব রাজ্যগুলি প্রথম থেকেই কঠোরভাবে লকডাউন পালন করেছে, সংকট দেখা দিলেও তাদের উপর প্রভাব অনেকটাই কম হবে। দেশব্যাপী লকডাউনের ফলে যে সংক্রমণের হার কমেছে, তার উদাহরণও দিয়েছে কেন্দ্র। দেশের মধ্যে প্রথম লকডাউন ঘোষিত হয় রাজস্থান, পাঞ্জাব ও বিহারে। অপেক্ষাকৃত অনেক পরে লকডাউন হয় উত্তর প্রদেশ, গুজরাট এবং মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যগুলিতে। যতদিনে এই রাজ্যগুলিতে লকডাউন ঘোষিত হয়, ততদিনে আক্রান্ত অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। তুলনামূলকভাবে তাই আক্রান্তের নিরিখে রাজস্থান, পাঞ্জাব ও বিহারে করোনা সংক্রমণ অনেক কম। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে এখন দেশের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা সর্বাধিক। মৃতের সংখ্যাও বেশি এই রাজ্যে। সময়মতো লকডাউন না করার জন্যই এই পরিস্থিতি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এক প্রবীণ অফিসার সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “পরের এক সপ্তাহ ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। করোনা পরীক্ষা শুরু হবে দেশ। যাদের মধ্যে যাদের মধ্যে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা তৈরি হবে, তাদের সবাইকে পরীক্ষা করা হবে।” তাঁর মতে, সরকার মনে করছে আগামী কয়েকদিনের মধ্যে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি বাড়বে পরীক্ষা। এছাড়া মানুষকে আউসোলেশন করাও বাড়তে থাকবে। এমনটাই জানিয়েছেন ওই আধিকারিক।

RELATED Articles

Leave a Comment