দেশে করোনার প্রকোপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। এ পর্যন্ত ভারতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২০৬ হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ জন মারা গিয়েছেন। আক্রান্ত বেড়ে ৬৭৬১। সুস্থ হয়েছেন ৫১৬ জন। রাজ্যের নিরিখে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মহারাষ্ট্র (১৩৬৪), দ্বিতীয় স্থানে দিল্লি (৮৯৮), তৃতীয় স্থানে তামিলনাড়ু (৮৩৪)।
এই অবস্হায় লকডাউনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে রাজ্যগুলির সাথে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যগুলি থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধেবেলা লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তিনি।
সূত্রের খবর, আগামী ১২ই এপ্রিল, রবিবার জাতির উদ্দেশ্যে ফের একবার বার্তা দিতে পারেন মোদী। সেখানেই সম্ভবত দেশব্যাপী লকডাউনের সময় বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করতে পারেন। কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্রের মতে, আগামীকাল সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
ইতিমধ্যেই, একাধিক রাজ্য লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করেছে। তাঁরা বলেছেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণের প্রসার রুখতে হলে লকডাউনকে আরও সময় দিতে হবে।
শেষ বৈঠকে লকডাউন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের থেকে পরামর্শ চান প্রধানমন্ত্রী। আপাতত দেশব্যাপী ২১ দিনের লকডাউন চলছে। যার সময়সীমা ১৪ই এপ্রিল শেষ হচ্ছে। লকডাউন বাড়ানোর বিষয় এদিন রাজ্যগুলিকে টাস্কফোর্স গঠন করার নির্দেশ দেন। ওই টাস্ক ফোর্স বিভিন্ন সময়ে পরামর্শ প্রদান করবে। শনিবার বৈঠকে, সব রাজ্যগুলি নিজ নিজ টাস্ক ফোর্স থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাব নিয়ে উপস্থিত থাকবেন।
বুধবারই, সংসদে বিভিন্ন দলনেতাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিভিন্ন মহল থেকে তাঁর কাছে যে প্রস্তাব ও রিপোর্ট এসেছে, তাতে এখনই লকডাউন প্রত্যাহার করার পক্ষে কেউ নেই। তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও, লকডাউনের মেয়াদ আগামী জুন পর্যন্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২৪ তারিখ মধ্যরাত থেকে গোটা দেশে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাতে তিনি বারবার বলেছেন দেশকে বাঁচাতে গেলে, লকডাউন ছাড়া উপায় নেই। যে যেখানে আছেন, সেখানেই থাকুন। না হলে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে। বাইরে বেরনো কী, ভুলে যান। ঘরে থাকুন। ঘরের বাইরে পা পড়লে করোনা সংক্রমনের সুযোগ বাড়তে পারে।





