তাঁর বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে গোটা বছরভরই চলে তুমুল সমালোচনা। কিন্তু কোনও কিছুই তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তায় ভাটা ফেলতে পারেনি। বিগত সাত মাস ধরে করোনার দাপটে মানুষ ভুলতে বসেছে সাধারণ জীবনযাপন। এমন টালমাটাল পরিস্থিতিতেও আরও এক নজির গড়লেন এই ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। গত দশ মাসে ট্যুইটারে এক কোটি ফলোয়ার বাড়ল মোদীর।
আর যার ফলস্বরুপ ট্যুইটারে মোদীর ফলোয়ার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬ কোটি। আমেরিকার প্রাক্তন এবং বর্তমান প্রেসিডেন্টের পরেই তাই ভারতেের প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইটারে ফলোয়ারের সংখ্যার নিরিখে প্রথম তিনের এই ক্রম পরিবর্তন না হলেও প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইটারে ফলোয়ারের সংখ্যা এবার ছাড়িয়ে গেল ৬ কোটি।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে মোদীর ফলোয়ার সংখ্যা ছাড়িয়েছিল ৫ কোটি। তার পর গত দশ মাসে আরও এক কোটি বাড়ল তাঁর ট্যুইটার ভক্তের সংখ্যা। ভারতীয়দের মধ্যে ট্যুইটার ফলোয়ারের সর্বোচ্চ সংখ্যার হিসেবে নরেন্দ্র মোদী দীর্ঘদিন ধরেই শীর্ষে রয়েছেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় অত্যন্ত সক্রিয় প্রধানমন্ত্রী। সরকারের কোনও নীতি-সিদ্ধান্ত হোক, কিংবা দলীয় কর্মসূচি, কারও মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা অথবা কারও সাফল্য— আম জনতার সঙ্গে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ট্যুইটার ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পাঁচ বছর আগে থেকে অর্থাৎ ২০০৯ সাল থেকে এই মাইক্রো ব্লগিং সাইটে রয়েছেন মোদি। সেই সময় তিনি ছিলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ২০১০ সালে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ। কিন্তু ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে সংখ্যাটা পৌঁছে যায় ৪ লক্ষে। ২০১৪ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই সংখ্যাটা অনেক গুন বেড়ে গিয়েছে। রবিবার সংখ্যা ৬০ মিলিয়ন ছাড়িয়ে গেল।
সারা বিশ্বে ট্যুইটারে ফলোয়ারের সংখ্যার হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তাঁর ফলোয়ার সংখ্যা ১২ কোটি ৭০ লক্ষ। ৮ কোটি ৩০ লক্ষের বেশি ফলোয়ার রয়েছে বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন।
ট্রাম্পের পরেই তিন নম্বরে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর ফলোয়ারের সংখ্যা বাড়তে দেখে ওয়াকিবহাল মহল বলছে, বিশ্বজুড়ে সংকটকালেও মোদির জনপ্রিয়তায় ভাঁটা পড়েনি। উল্টে এমন পরিস্থিতিতেও তাঁর জনপ্রিয়তা আরও বেড়েছে।





