তিন সন্তানের বাবা। পরিবারের সবচেয়ে ছোট যে তার কাছে মৃত্যু কী সে সম্পর্কে কোনও ধারনা নেই। তাই বাবা কখন বাড়ি ফিরবেন সেই অপেক্ষায় রয়েছে ছোট্ট ছেলেটি। বাকি দুই মেয়ে বুঝতে পারছে। তবে তাদের দায়িত্ব এখন শোকগ্রস্ত মাকে সামলানো। কিছুক্ষ্ণণ বাদে বাদেই মা অজ্ঞান হয়ে পড়ছেন যে। এই অবস্থায় দাঁড়িয়ে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দিল্লি দাঙ্গায় নিহত পুলিশকর্মীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হল।
উত্তর পূর্ব দিল্লির দাঙ্গায় সোমবার রাতেই মৃত্যু হয়েছে দিল্লি পুলিশের হেড কনস্টেবল পদে থাকা রতন লালের। এদিন তাঁর শেষকৃত্যে হাজির ছিলেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্ণর অনিল বাইজল, পুলিশ কমিশনার সহ তামাম পুলিশকর্তারা। হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইও। এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে দিল্লির পুলিশ কমিশনার অমূল্য পট্টনায়েক জানিয়েছেন, ‘দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন হেড কনস্টেবল রতন লাল। আমরা তাঁর এই বলিদানের জন্য গর্বিত। আমরা সবসময় তাঁর পরিবারের পাশে রয়েছি।’ এই পুলিশকর্মীর মৃত্যুতে তাঁর স্ত্রী পুনম লালের কাছে শোকবার্তা জ্ঞাপন করেছেন খোদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মৃত পুলিশকর্মীর পরিবারকে সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছে সরকার।





