কথামতই মঙ্গলবার রাত আটটায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী। ঘোষণা করলেন দ্বিতীয় আর্থিক প্যাকেজ যার আর্থিক মূল্য ২০ লক্ষ কোটি টাকা। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংকের সঙ্গে এই ব্যাপারে যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের জিডিপির ১০ শতাংশ মূল্যের সমান এই অর্থমূল্য।
‘২০ লক্ষ কোটি টাকা ২০২০ সালে’ শীর্ষক এই প্যাকেজ ভারতের অর্থনীতিকে ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করবে। মূলত দেশের মেহনতি মানুষের জন্যই এই প্যাকেজ বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রী। কৃষকরাও এর আওতায় পড়ছেন। এমনকি দেশের মধ্যবিত্ত সম্প্রদায় যারা কর দেন তাঁরাও এই প্যাকেজের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। ভারতের গ্রামাঞ্চলের মানুষকে করোনা পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগাবে এই আর্থিক প্যাকেজ।
তিনি এই ভাষণে সবাইকে আত্মনির্ভর ভারত গড়ার ডাক দেন। বিশেষ আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা করে তিনি বলেন, ‘এই আর্থিক প্যাকেজ আত্মনির্ভর ভারতকে এগিয়ে দেবে। সমস্ত প্যাকেজ জুড়লে ২০ লক্ষ কোটি টাকার মতো হবে। যা দেশের জিডিপির প্রায় ১০ শতাংশ। ২০২০ সালে ২০ লক্ষ কোটি টাকার প্যাকেজ আত্মনির্ভর ভারত অভিযানকে নতুন গতি দেবে।’ এই প্যাকেজে জমি-শ্রমিক সবকিছুর উপরই নজর দেওয়া হয়েছে। মধ্যবিত্তের জন্যও এই প্যাকেজে অনেক কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। আগামীকাল থেকে অর্থমন্ত্রী এই প্যাকেজের বিষয়ে নতুন তথ্য দেবে বলেও জানান নরেন্দ্র মোদী।
তাঁর কথায়, ‘কে ভেবেছিল এই পরিস্থিতিতেও গরিবের কাছে টাকা পৌঁছে যাবে। তেমনই তো হয়েছে। এবার তাঁকে আরও অনন্য শিখরে নিয়ে যেতে হবে।’ লকডাউন তোলা হবে না আরও বাড়ানো হবে, সে নিয়ে ১৮ই মের মধ্যেই বিশদে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।





