”রাজ্যে কংগ্রেস সরকার ফেলতে অপারেশনে নেমে পড়েছে বিজেপি“ মাত্র দুদিন আগে এমনই অভিযোগ করেছিলেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্ষীয়াণ কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংহ। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কংগ্রেস বিধায়কদের দল ভাঙার জন্য ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা করে অফার করা হচ্ছে!
আর মঙ্গলবার দেখা গেল, টাকা অফার করা হয়েছে কিনা বা কত টাকা অফার করা হয়েছে সেটা স্পষ্ট না হলেও কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে , মধ্যপ্রদেশের ৮ জন বিধায়ককে আটকে রাখা হয়েছে দিল্লির উপকন্ঠে গুরুগ্রামের হোটেলে। এঁদের মধ্যে চার জন কংগ্রেস বিধায়ক, বাকি চার জন হলেন নির্দল।
খবর পেয়েই মঙ্গলবার মধ্যরাতে জিতু পাটোয়ারি-সহ কমলনাথ সরকারের দুই মন্ত্রীকে গুরুগ্রামের ওই হোটেলে পাঠিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। কিন্তু তাঁরা অভিযোগ করেছেন তাঁরা সেখানে গিয়ে পৌঁছলে, পুলিশ তাঁদের হোটেলে ঢুকতে বাধা দেয়। গুরুগ্রাম তথা হরিয়ানায় বিজেপির সরকার রয়েছে। তাই তাদের দাবি রাজনৈতিক নেতাদের নির্দেশেই কাজ করছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রদেশে যে এই অপারেশন হতে পারে সে ব্যাপারে অনেকেরই আশঙ্কা ছিল। দিগ্বিজয়ের মন্তব্য নিয়ে গতকাল কমলনাথের প্রতিক্রিয়া জানতে চেয়েছিলেন সাংবাদিকরা। জবাবে কমলনাথ হেসে বলেছিলেন, “আমি বিধায়কদের বলেছি বিজেপি টাকা দিতে চাইলে নিয়ে নেবেন। ছাড়বেন কেন। তার পর যেমন এখন চলছেন, তেমনই চলবেন।”
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় মোট ২৩০টি আসন রয়েছে এর মধ্যে ২ জন বিধায়কের মৃত্যু হওয়ায় দুটি আসন এখন শূন্যস্থানে রয়েছে। অর্থাৎ বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে গেলে ১১৫ জন বিধায়কের সমর্থন প্রয়োজন। কংগ্রেসের রয়েছে ১১৪ জন বিধায়ক। বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা ১০৭। বাকি আট জনের মধ্যে দু’জন বহুজন সমাজ পার্টি ও এক জন সপার বিধায়ক। বাকি চার বিধায়ক নির্দল।তাই এই অবস্থায় আট জন বিধায়কের সমর্থন পেতে পারলেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যাবে বিজেপি।





