আর জি কর কাণ্ডের জেরে গোটা রাজ্য উত্তাল। দিকে দিকে চলছে আন্দোলন-প্রতিবাদ। এই ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে প্রথমেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। এমনিতেই বাংলায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ কম নয়। আর এবার আর জি করের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে উঠল মহিলাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ।
ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের বেরেণ্ডা গ্রামে। জানা গিয়েছে, সেখানে দুটি পরিবারের মধ্যে তুমুল ঝামেলা। এর জেরে গ্রামের কয়েকজন মিলে সালিশি সভা বসিয়েছিলেন। সেই গ্রামেরই বাসিন্দা সিভিক ভলান্টিয়ার রহমতুল্লাহ শেখ। জানা গিয়েছে, তিনি সালিশি সভার খবর পেয়ে গ্রামে জানান যে পুলিশ নির্দেশ দিয়েছে যাতে কোনও সালিশি সভা না হয়। এরপর নিজের কাজে যান তিনি।
এদিন রাতে স্থানীয় এক আদিবাসী মহিলা আউশগ্রাম থানায় গিয়ে এই রহমতুল্লাহ শেখের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান। তিনি অভিযোগ করেন, এই রহমতুল্লাহ শেখ তাঁর উপর আগের থেকেই কুনজর দিতেন। শুক্রবার তাঁর বাড়িতে কেউ ছিল না। তিনি যখন বাড়ির উঠোনের তক্তার উপর শুয়েছিলেন, সেই সময় এই রহমতুল্লাহ শেখ তাঁর শ্লীলতাহানি করে।
এই ঘটনার অভিযোগ পেয়েই অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে অভিযুক্তের দাবী, ওই পাড়ায় বেআইনি চোলাই মদের কারবার চলে। তিনি তা নিষেধ করেছিলেন। ফলে তাঁর সঙ্গে বচসা হয় তাদের। আর এই কারণেই তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবী সিভিক ভলান্টিয়ারের।
আজ, শনিবার ওই অভিযুক্ত সিভিক ভলান্টিয়ারের শারীরিক পরীক্ষা করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয় বন নবগ্রাম প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। এরপর তাঁকে বর্ধমান জেলা আদালতে পাঠাতোলা হয়। বিচারক কী রায় দেন, এখন সেটাই দেখার! তবে আর জি করের ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ার গ্রেফতার হওয়ার পর ফের এক সিভিক ভলান্টিয়ারের বিরুদ্ধে এমন এক অভিযোগের জেরে সিভিকদের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন সকলেই।





