আজ দক্ষিণ ২৪ পরগণায় কর্মসূচী করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন সকালে গঙ্গাসাগরে কপিল মুনির আশ্রমে পুজো দিয়ে তিনি যান নামখানায়। সেখানে বিজেপির পরিবর্তন রথযাত্রা সূচনা করেন তিনি। মধ্যাহ্নভোজন সারেন এক উদ্বাস্তু মৎস্যজীবীর বাড়িতে। এরপর কাকদ্বীপে সভা করেন শাহ।
এদিন কাকদ্বীপের সভা থেকে প্রথমেই তিনি বলেন যে আজ তাঁর জন্য খুব সৌভাগ্যের দিন। পরমহংস শ্রী রামকৃষ্ণ ও শ্রী চৈতন্যদেবের জন্মদিনে তিনি বাংলার মাটিতে আসতে পেরে তিনি নিজেকে সৌভাগ্যবান বলে মনে করছেন। এদিন সভাতে তিনি সোনার বাংলা গড়ার ডাক দেন। তাঁর মতে, তৃণমূলের সিন্ডিকেটের দিন শেষ হলেই বাংলায় উন্নয়ন আসবে। আর সে উন্নয়ন আসবে বিজেপির হাত ধরেই।
এদিন শাসকদলকে কটাক্ষ করে শাহ বলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন ক্ষমতায় রয়েছেন, ততদিন বাংলার উন্নতি হবে না। শিক্ষকরা কোমর পর্যন্ত জলে নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। তিনি আশ্বস্ত করেন যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে শিক্ষকরা ন্যায় পাবেন। এছাড়াও, মৎস্যজীবীদের জন্য ৬০০০ টাকা করে মৎস্যজীবী সম্মান নিধির ঘোষণা করেন তিনি। এও বলেন যে ২৪ পরগণায় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ হাব তৈরি হবে, তৈরি হবে গঙ্গাসাগর পর্যটন কেন্দ্র।
শাসকদলের দিকে হুঁশিয়ারি শানিয়ে শাহ বলেন, যারা দুর্নীতি করেছে, তাদের দরকার হলে পাতাল থেকে খুঁজে বের করেও জেলে পাঠানো হবে। আমফানের দুর্নীতির জন্য বিজেপি একটি উচ্চপর্যস্ত তদত করবে যাতে কোনও দুর্নীতিবাজ রেহাই না পায়। শাহ্’র দাবী, বাংলায় রাজনৈতিক হিংসায় প্রায় ১৩০-এর অধিক বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের বলিদান ব্যর্থ যাবে না।
এদিন তৃণমূলকে নিশানা করে শাহ বলেন যে “মানুষ তোষণের রাজনীতি বন্ধ করতে চায়। কাটমানির বিরুদ্ধে পরিবর্তন আসবে। ২৯৪ আসনেই তৃণমূলকে উৎখাত করা হবে”। তাঁর দাবী, মোদী সরকার গত ৫ বছরে বাংলার জন্য ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছে কিন্তু গ্রামে গ্রামে কিছুই পৌঁছয় না। এই কারণেই বাংলার মানুষের কাছে শাহ আর্জি জানান যে বিজেপির এই পরিবর্তন যাত্রাকে বাংলার মানুষ যেন আপন করে নেন ও নরেন্দ্র মোদীকে সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য তারা যেন একটা সুযোগ দেন।





