দুর্নীতির অভিযোগ ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধেও, ২০১২ সালে প্রাথমিকে নিয়োগ করা হয় ৯৫ শতাংশ ভুয়ো শিক্ষক, নেপথ্যে ব্রাত্য

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam Case) নিয়ে এখন গোটা রাজ্য সরগরম। এই নিয়ে নানান বিতর্ক একের পর এক চলছেই। এই দুর্নীতিতে নাম জড়িয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ও রাজ্যের শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর (Paresh Adhikari) বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই দুই তৃণমূল নেতা হাজিরা দিয়েছেন সিবিআই দফতরে (CBI)।

সিবিআইয়ের হাত থেকে বাঁচার জন্য প্রথমে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ও পরে সুপ্রিম কোর্টে রক্ষাকবচের জন্য আবেদন করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু সব জায়গাতেই তাঁর সেই আবেদন খারিজ করা হয়েছে। গত সপ্তাহেই সিবিআইয়ের ৮ ঘণ্টা জেরার মুখে পড়েছিলেন পার্থ।

আর এবার আরও এক বিস্ফোরক অভিযোগ উঠে এল রাজ্যের বর্তমান শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধে। তাঁর বিরুদ্ধেও নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ এনেছেন পিটিটিআই শিক্ষক আন্দোলনের নেতা পিন্টু পাড়ুই। তাঁর দাবী,  “স্কুল সার্ভিস নিয়ে তো যা হচ্ছে তা হচ্ছে কিন্তু যদি প্রাথমিকের ফাইল খোলা হয় তাহলে ফেঁসে যাবে অনেক বড় বড় মাথা”

কিন্তু কারা তারা? উত্তরে পিন্টু বলেন, “তখন ২০১২ সাল। আমি তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। নিজে সাক্ষী সব ঘটনার। ২০১২ সালের টেট নিয়োগে ৯৫ শতাংশ নিয়োগ হয়েছিল বেআইনিভাবেই। আর তা হয়েছিল পর্ষদ সভাপতি মাণিক ভট্টাচার্য এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর তত্ত্বাবধানে”।

তিনি আরও দাবী করে বলেন যে ২০১২ সালে টেট নিয়োগে অনেক বিধায়কের নামও জড়িয়ে রয়েছে। পিন্টুর কথায়, “আমি নাম ধরে ধরে বলতে পারি কোন বিধায়কের নির্দেশে কতজন নিয়োগ পেয়েছিল, শুধুমাত্র সাদা খাতা জমা দিয়ে। আমার কাছে বেশ কিছু বিধায়কের তালিকা রয়েছে”।

তিনি আরও বলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পিছনে যে সমস্ত ঘটনা সিঁড়ি হিসেবে কাজ করেছিল, তার মধ্যে একটি ছিল পিটিটিআই সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়১০ শতাংশ রিজার্ভেশন দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন সেই সময়। কিন্তু সেই কথা রাখা হয়নি।

RELATED Articles

Leave a Comment