বেশ কিছুদিন ধরেই দলের হয়ে কোনও কাজ করতে দেখা যায়নি তাঁকে। তবে আবার এমনটাও নয় যে তিনি দলের বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য করেছেন। তাই আপাতত দিব্যেন্দুকে নিয়ে কোনও কড়া পদক্ষেপ নিল না তৃণমূল।
আসলে, ভোট শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকেই জল্পনা শুরু হয় যে দিব্যেন্দু হয়ত বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। তৃণমূলেই থেকে গিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই ফলও পেলেন হাতেনাতে। জেলা তৃণমূলের পদেই বহাল থাকলেন তিনি। এমনটাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তমলুক জেলা তৃণমূলের সাংগঠনিক বৈঠকে। পাশাপাশি, এও জানানো হয়েছে যে দিব্যেন্দুকে নিয়ে যাবতীয় যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, তা রাজ্য নেতৃত্বই নেবে।
আরও পড়ুন- মুকুল থাকছেন বিজেপিতেই! ‘খবর ২৪x৭’-এর খববের সত্যতা প্রমাণিত
ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিন্ন করে দেন তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। দলের কোনও কাজে তিনি না থাকলেও দল সম্পর্কে কোনও মন্তব্যও করতে শোনা যায়নি তাঁকে। শুক্রবার নতুন বিধায়ক ও দলীয় আধিকারিকদের সঙ্গে নিমতৌড়ি শিক্ষাভবনে সাংগঠনিক বৈঠক শেষে তৃণমূল জেলা সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র বলেন, “এ নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত জেলা নেয় না। যা সিদ্ধান্ত রাজ্যস্তর থেকে হয়। ভোটের সময় উনি দলের হয়ে কাজ করেননি তা সব জায়গায়ই দেখেছি। কিন্তু দলের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন এমন প্রমাণও নেই। তাই ওনার অবস্থানটা কী তা রাজ্য বিচার করবে”।
আরও পড়ুন- নির্দেশ দেওয়ার পরও জমা পড়েনি ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনার রিপোর্ট, মমতা সরকারকে জরুরি তলব রাজ্যপালের
অন্যদিকে জানা গিয়েছে, তৃণমূল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে খেজুরির প্রাক্তন বিধায়ক রঞ্জিত মণ্ডলকে। এই বিষয়ে সৌমেন মহাপাত্র জানান, দলবিরোধী কাজের জন্য তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে। আবার, নিজের পদ ফিরে পেয়েছেন প্রাক্তন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সোমনাথ বেরা। অভিযোগ উঠেছিল যে, সোমনাথকে চক্রান্ত করে পদ থেকে সরানো হয়েছে।






