ম্যাজিশিয়ান পি সি সরকার জুনিয়রকে তলব করল ইডি। একটি চিটফান্ড মামলায় তাঁকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। টাওয়ার গ্রুপ সংক্রান্ত মামলায় নাম জড়িয়েছিল বিশ্বখ্যাত জাদুকরের। সেই কারণেই ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেই অনুযায়ীই, আজ, শুক্রবার ইডি দফতর সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিলেন তিনি পি সি সরকার জুনিয়র। সঙ্গে রয়েছেন তাঁর মেয়ে।
টাওয়ার গ্রুপ নিয়ে প্রথমে তদন্ত শুরু করেছিল সিবিআই। সেই মামলায় নাম জড়িয়েছিল পি সি সরকার জুনিয়রের। ফলে তাঁর মুকুন্দপুরের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। এবার সেই একই মামলায় তাঁকে তলব করেছে ইডি। সম্প্রতি টাওয়ার গ্রুপের কর্ণধার রমেন্দু চট্টোপাধ্যায়কে হেফাজতে নিয়েছে ইডি। আর এরপরই পি সি সরকারকে তলব করেছিল ইডি।
কিছুদিন আগেই এক সংবাদমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে দেশ ও রাজ্যের রাজনীতি নিয়ে সমালোচনা করেছিলেন পি সি সরকার। বলেছিলেন, দেশ ও রাজ্যের রাজনীতি পতনের দিকে এগোচ্ছে। বাংলার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি দেখলে তাঁর বমি পায়। পি সি সরকার বলেছিলেন, “ইচ্ছা করে গিয়ে ঘুষি মারি নেতাদের। শিক্ষায় দুর্নীতি করে আসলে সমাজটাকে শেষ করা হচ্ছে। দেশ নষ্ট করার এটা সুপ্ত অপচেষ্টা চলছে”।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে বিজেপির হয়ে লোকসভা ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন পি সি সরকার। ভোটে জিততে পারেন নি। রাজনীতিতে আসা নিয়ে তিনি বলেন, “আমি একবার ভোটে লড়েছিলাম। মন্ত্রী বা সাংসদ হওয়ার জন্য নয়। সে হওয়ার জন্য লোক আলাদা। আমি সেই সময় দেখলাম, শিক্ষিত লোকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজনীতিতে আসছেন না। সেই জন্য বদমায়েশ, হাড় বজ্জাত লোকগুলি রাজনীতি করে আমাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিচ্ছে”।
রাজনীতিতে আসা ন্যে আক্ষেপ করে পি সি সরকার জুনিয়র বলেছিলেন যে তিনি ‘বলির পাঁঠা’ হয়েছিলেন। তাঁর কথায়, তিনি ভোটে যদি জিততেন, তাও পদত্যাগ করতেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও তিনি ভোট ময়দানে গিয়েছিলেন, কারণ তিনি আমজনতাকে একটি বার্তা দিতে চেয়েছিলেন।





