আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর রয়েছে ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচন। ভোটের প্রার্থী ঘোষণার পর সব দলই উঠেপড়ে লেগেছে প্রচারের জন্য। আজ, রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে প্রচারে যান রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। এই প্রচারে গিয়েই বিজেপি নেতৃত্বকে নানানভাবে আক্রমণ শানান তিনি।
এদিন নন্দীগ্রামের কথা টেনে এননে ফের একবার কারচুপির অভিযোগ করেন ফিরহাদ। বলেন ভবানীপুর কেন্দ্রে এমন হবে না। ফিরহাদের কথায়, মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চাইলে পা ভেঙে দেওয়া হবে। যদিও বিজেপির তরফে ফিরহাদের কথার বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তবে তাঁকে পাল্টা আক্রমণ করতে পিছপা হন নি বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং।
এদিন সকালে চেতলা অঞ্চলে প্রচারে যান ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচারের কোনও প্রয়োজন নেই। তবে গণতন্ত্রের নিয়মের জন্য প্রত্যেকের কাছে তারা যাচ্ছেন। আগামী ৩০ তারিখ ভবানীপুর কেন্দ্রে রয়েছে ভোট, একথা মনে করিয়ে দিতেই প্রচারে নেমেছেন তিনি, দাবী ফিরহাদের।
এদিন ফিরহাদ বলেন যে ভবানীপুরে কোনও রিগিং করা যাবে না। ফিরহাদের কথায়, “নন্দীগ্রামে যে ভাবে রিগিং হয়েছে ভবানীপুরে তা করতে পারবেন না দিলীপ ঘোষরা”। অর্জুন, শুভেন্দুকে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “সে যত বড় মস্তানই হোক, মেদিনীপুরের হোক আর ব্যারাকপুরের হোক ভবানীপুরের মানুষ তার পা ভেঙে দেবে”।
ফিরহাদের কথায় তেমনটা গুরুত্ব দিতে চায় নি বিজেপি। তবে ফিরহাদকে পাল্টা জবাব দিতে ছাড়লেন না বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তাঁর কথায়, “ফিরহাদ তো সরাসরি আল-কায়েদার লোক। ওর কাছ থেকে এর থেকে বেশি আর কী আশা করা যায়”।
তাঁর দাবী, বাংলার মানুষ জানে তৃণমূল কী ভাবে ‘জিহাদি শক্তি’ তৈরি করেছে, ভোট পরবর্তী হিংসায় তার প্রমাণ মিলেছে। এই বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “পা ভেঙে দিক, হাত ভেঙে দিক, খুন করে দিক, আমরাও তৈরি আছি”।
এদিকে আজ সকালেই প্রচারে নেমছেন ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালও। এদিন বেশ আত্মবিশ্বাসের সুরেই তিনি বলেন, “জয় নিয়ে আমি পুরোপুরি আশাবাদী কারণ আমি মানুষের জন্য লড়াই করছি। বিধানসভা নির্বাচনে খুনের খেলা খেলেছে ওরা। এবারও যদি তাই করে তাহলে তো গণতন্ত্রের কোনও মানে হয় না। এই সরকার খুনীদের সাপোর্ট করেছে। এর প্রতিবাদে আওয়াজ তুলতে হবে”।





