প্রথম দফায় ৩০ আসনে নির্বাচন শেষ। এবার অপেক্ষা দ্বিতীয় দফার। সেই দিনই হাইভোল্টেজ লড়াইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে নন্দীগ্রাম। আগামী ১লা এপ্রিল নন্দীগ্রামের ময়দানে মুখোমুখি হবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী ও সংযুক্ত মোর্চার মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়।
আরও পড়ুন- ভোটের কোপ দিঘাতে, প্রথম দু’দফার ভোটের কারণে বন্ধ দিঘা, পর্যটকবিহীন সমুদ্র সৈকত
তাই এখন প্রচারে খামতি নেই। জোরকদমে পূর্ব মেদিনীপুরে প্রচার করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আজ অর্থাৎ রবিবার দোল উৎসবের দিনই চণ্ডীপুরে তৃণমূল প্রার্থী সোহম চক্রবর্তীকে পাশে বসিয়ে সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সভা থেকেই তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারের এখনও ১০ বছর পূর্ণ হয়নি। আর তারমধ্যে এক বছর করোনার কারণে নষ্ট হয়েছে। দু’বার পঞ্চায়েত ভোট হয়েছে। দু’বার লোকসভার ভোট হয়েছে। আর একটা বিধানসভার নির্বাচন হয়েছে। সবকিছু বাদ দিলে মোট চার-পাঁচ বছরই আমরা কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।”
আরও পড়ুন-WB Election 2021: প্রচারে বেরিয়ে বিপত্তি! লকেটের চোখ রং ছোঁড়ার অভিযোগ, সন্দেহের তীর তৃণমূলের দিকে
একইসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এদিন বলেছেন, আমরা যে জনসেবামূলক প্রকল্প গুলো করেছি, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সব বন্ধ করে দেবে। ওঁরা যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে স্বাস্থ্যসাথী বন্ধ করে দেবে, যুবশ্রী বন্ধ করে দেবে, কন্যাশ্রী বন্ধ করে দেবে। ওঁরা ক্ষমতায় এলে আপনারা কেউ কিছুই পাবেন না।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই কথায় পাল্টা কটাক্ষ করেছে গেরুয়া শিবিরও। পদ্মের মুখপাত্র সায়ন্তন বসু রবিবার বলেন, ‘রাজ্যের প্রথম দফার নির্বাচনের পরই হতাশায় ভুগছেন মুখ্যমন্ত্রী এবং গোটা তৃণমূল দল। তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও হার স্বীকার করে নিতে শুরু করেছেন। আর এই কারণেই তিনি দশ বছর ক্ষমতায় থাকার পরেও বলছেন মাত্র চার-পাঁচ বছর কাজ করার সুযোগ পেয়েছি।”





