নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে ২৪ ঘন্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করে নির্বাচন কমিশন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার রাত ৮টায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রচার অভিযান থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠেছে। এরপরই তিনি বারাসতে একটি নির্বাচনী জনসভায় অংশ নেন। আর সেখান থেকেই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। বারাসাতের জনসভা থেকে তিনি প্রশ্ন করে বলেন, নির্বাচনের দিনে কেনও রাজ্যে প্রচারে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী? তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনের দিনে রাজ্যে প্রচারে এসে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, নির্বাচনের দিনে বাংলায় প্রধানমন্ত্রীর প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করুক কমিশন।
গতকাল বারাসাতের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রীকে নিশানায় রেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘প্রতিটা নির্বাচনের দিনেই তিনি বাংলায় আসছেন। একটা মিটিংয়ে ১০০-৫০০ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। ওই টাকা দিয়ে কি তফসিলি মেয়ের বিয়ে দেওয়া যেত না? ভোটের দিন আসছেন আর মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছেন। আপনারাই বলুন এটা কি ঠিক? অন্য কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বলা আর প্রধানমন্ত্রীর বলার মধ্যে অনেক ফারাক আছে। দরকার হলে আমিও নির্বাচনের দিনে কোনও মিটিং করব না। এই বিষয়ে আমি নির্বাচন কমিশনের নজর কাড়ছি।’
এরপর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উনি ঠিক বেছে বেছে নির্বাচনের দিনেই প্রচারে আসছেন। নিজেকে খুব বড় নেতা মনে করছেন। ভাবছেন মানুষ ওঁর মুখ দেখেই ভোট দিয়ে দেবে। উনি যেন সুপার ভগবান।’
এরপরই মোদীকে দ্বিগুণ হুঁশিয়ারি দিয়ে বাংলা মেয়ে বলেন, ‘আমি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের মতো লড়াই করব। ওঁরা বাকি চার দফাতেও আমাকে জ্বালাবে আমি জানি। ওঁরা সবাই আমাকে হারানোর জন্য উঠেপড়ে লেগে আছে। কিন্তু আমাকে হারানোর ক্ষমতা ওঁদের মধ্যে নেই।’






