করোনা নিয়ে দেশবাসী এমনিতেই আতঙ্কিত। রোজ রোজ বাড়তে থাকা সংক্রমনের হিসাবটা মানুষকে আরও আতঙ্কে ফেলে দিচ্ছে। তবে সংক্রমন রোধে লকডাউন এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যে লকডাউনের দিনও বাড়িয়ে ৩রা মে করেছেন তিনি। কিন্তু এই বিপর্যয়ের মধ্যে কিছু লোক ভুয়ো খবর ছড়িয়ে আরও মানুষের মনে ভয় সৃষ্টি করছেন।
কিছুদিন আগে কলকাতা পুলিশ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো খবর ছড়ানো নিয়ে সতর্কতা জারি করেন এবং ভবিষ্যতে এরকম খবর ছড়ালে অভিযুক্তের জেল ও জরিমানা হবে এও জানিয়ে দেন। কিন্তু এর পরেও ভুয়ো খবরের ঘটনা ঘটে চলেছে।
হুগলির কোন্নগরে, করোনা আক্রান্ত এক চিকিৎসককে নিয়ে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর পোস্ট করার অভিযোগে, গ্রেফতার হলেন এক স্কুল শিক্ষিকা। তাকে আজ শ্রীরামপুর আদালতে তোলা হয়।
হাওড়া জেলা হাসপাতালের এক চিকিৎসক করোনা আক্রান্ত হন। তাঁর বাড়ি হুগলির কোন্নগরে। রবিবার তাঁর আবাসনের বাসিন্দারা সেই খবর জানতে পারলে, পুরসভার তরফ থেকে ওই আবাসনকে স্যানিটাইজডও করা হয়।
কিন্তু অবন্তিকা মিত্র নামে এক মহিলা সোশ্যাল মিডিয়ায় দাবি করেন, ওই চিকিৎসক-ই কোন্নগরে করোনা ছড়াচ্ছেন। আবাসনকে স্যানিটাইজড করার জন্যে উত্তরপাড়া থানার পুলিস ও কোন্নগর পুরসভাকে ধন্যবাদও জানান তিনি! এরপরই মানুষের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এবং কিছুক্ষনের মধ্যেই সেই পোস্ট ভাইরালও হয়ে যায়।
এরপরই অভিযুক্ত অবন্তিকা মিত্রকে গ্রেফতার করে পুলিস। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩/A(১)(C),৫০৫(২)(১)(A)এবং ১৮৮ ধারায় মামলা রুজু হয়।
আজ শ্রীরামপুর আদালতে তোলা হলে, বিচারক তাঁকে ৩ দিন অর্থাৎ ১৭ই এপ্রিল অবধি জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। বিচারকালীন সময় তিনি দাবি করেন, না বুঝে ভুল করে এই পোস্ট করেছেন তিনি।





