সামনে বড় পরীক্ষা শাসকদলের। ফের ফিরতেই হবে ক্ষমতায়। কিন্তু প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে আসা বিজেপিই এখন প্রধান কাঁটা এই স্বপ্ন পূরণের রাস্তায়। তবে টিম তৃণমূলের লক্ষ্য একটাই। জিততে হবে একুশের বিধানসভা ভোট। তাই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মোক্ষম অস্ত্র! হিন্দুত্বকে হাতিয়ার করে যখন ঘুঁটি সাজাচ্ছে রাজ্য বিজেপি, তখন অন্যদিকে বাঙালির আবেগের ‘বাংলা’ ভাষাকেই জেতবার রণনীতি হিসাবে নির্ধারণ করল মুখ্যমন্ত্রীর শিবির। ‘বাংলা চালাবে বাঙালিরাই’ একুশের মঞ্চ থেকেই পরবর্তী কর্মসূচির একটা ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেটাই হচ্ছে ক্যাচ লাইন। শীঘ্রই শুরু হচ্ছে তৃণমূলের নতুন প্রচারাভিযান ‘সোজা বাংলায় বলছি।’
করোনা পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগে কলকাতার বুকে শহীদ মিনারের সভা থেকে গেরুয়া শিবিরের চাণক্য অমিত শাহ বার্তা দিয়ে গিয়েছেন ‘একুশের বাংলা বিজেপিরই’৷ তৃণমূল তখন থেকেই পরবর্তী রণনীতি নির্ধারণ করেছে৷
এর আগে তৃণমূলের গেম প্ল্যানার পলিটিক্যাল স্ট্রাটেজি স্টাফ প্রশান্ত কিশোরের বুদ্ধিতে ‘দিদিকে বলো’ ও ‘বাংলার গর্ব মমতা’-র মতো একাধিক কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস । ‘দিদিকে বলো’-র মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পেয়েছিল মমতা শিবির। আর ফের একবার বাংলা ভাষা বাঙালির আবেগকেই হাতিয়ার করতে চাইছে। জেনে নিন কি এই ‘সোজা বাংলায় বলছি’ কর্মসূচি
১. সপ্তাহে তিন দিন একটি নতুন ভিডিও সিরিজ বার করা হবে। যার নাম ‘সোজা বাংলায় বলছি’।
২. প্রতি বুধবার এবং শুক্রবার ও রবিবার সকাল ১১টায় একটি এক মিনিটের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় থাকবে। আগামী কয়েক মাস চলবে এই সিরিজ।
৩. ‘সোজা বাংলায় বলছি’ ভিডিয়ো সিরিজের উপস্থাপনায় থাকবেন রাজ্যসভায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদীয় দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন।
৪. ভিডিওগুলি সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক বিষয়ের প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রগুলির ওপর নির্ভর করে তৈরি করা হবে।
৫. এই ভিডিও বার্তায় কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভাব-অভিযোগ নিয়েও সরব হবে তৃণমূল কংগ্রেস ।





