চতুর্থ দফা নির্বাচনে সর্বাধিক হিংসা ঘটে গেছে। গুলি চালাতে হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। রাজ্যে ভোট হিংসার বলি ৫।
কিন্তু হুঁশিয়ারি-হুমকি যেনও থামছে না। স্বার্থসিদ্ধির লোভে রাজনৈতিক নেতারা ক্রমে উস্কোচ্ছেন হিংসাকে। এবার হুঁশিয়ারি সরাসরি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। “বেশি বাড়াবাড়ি করলে তৈরি আছে ছেলেরা।” সপ্তগ্রামে এমনই হুমকি দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানকার তৃণমূলের প্রার্থী তপন দাশগুপ্ত অভিযোগ করেছেন গতকাল রাত থেকে দিল্লি থেকে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা নাকি বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার কথা বলছে। তাঁর কাছে গতকাল রাত থেকে এই অভিযোগ আসছে বলে। কেন্দ্রীয় বাহিনী ভোটারদের ভয় দেখালে তাঁরা বসে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর দাদাগিরি সহ্য করা হবে না বলে জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী।
আরও পড়ুন- কসবায় তৃণমূল বাহিনীর হামলা, আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী ইন্দ্রনীল খাঁ, নীরব পুলিশ প্রশাসন
প্রসঙ্গত, তৃতীয় দফার ভোট শেষ হতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘেরাও করার পরামর্শও দিয়েছিলেন। যার জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে শো-কজ লেটারও পান তিনি।
তৃণমূল সুপ্রিমো অভিযোগ করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নির্দেশে কাজ করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। তিনি দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপির হয়ে কাজ করছে। চতুর্থ দফার ভোটের আগের দিনও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিশানা করতে ছাড়েননি মমতা। এবার দলনেত্রীর পথেই হাঁটলেন সপ্তগ্রামের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী।
আরও পড়ুন-নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশ, বাংলায় বন্ধ ভোট!
তবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘাঁটানো যে সহজ কথা নয় তা আজ বুঝেছে শীতলকুচি-মাথাভাঙ্গা। আজ সকাল থেকেই তেতে ছিল শীতলকুচি। বেলা দশটা নাগাত এখানেই একটি বুথে গন্ডগোলের খবর পেয়ে উপস্থিত হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। তখন তাঁদের ঘিরে ধরে প্রায় জনা পাঁচশো লোক। আত্মরক্ষার্থে গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। মৃত্যু হয় ৪ জনের। কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালাতে শুরু করলে চোখের পলক ফেলার আগে ফাঁকা হয়ে যায় ভিড়। বাহিনীর গুলিতে চারজনের মৃত্যুর খবরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়ায় জোড়পাটকি এলাকায়।





