চলতি মাসের ৮ তারিখের পর আবার আজকে রাজ্য জুড়ে সার্বিক লকডাউন জারি রয়েছে। রাজ্যে যেভাবে দিন দিন বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমনের হার তাতে চিন্তিত সাধারণ মানুষ থেকে প্রশাসন। তাই করোনা রুখতে শুরু হয়েছে রাজ্য জুড়ে লকডাউনের পালা। তবে এই প্রথম রাজ্যে টানা দু’দিনের লকডাউন জারি করেছে প্রশাসন। তাই লকডাউনের জেরে রাস্তাঘাট কার্যত শুনশান, যানবাহনের সংখ্যাও বেশ কম।
বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার রাজ্যজুড়ে সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। আর এই লকডাউনকে সফল করতে তৎপর হয়েছেন সাধারণ মানুষ থেকে পুলিশ প্রশাসন। কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলিতে মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। গাড়ি বা বাইকের ক্ষেত্রে চলছে কড়া নজরদারী। গাড়িচালক বা বাইক আরোহীকে থামিয়ে প্রথমে তল্লাশি করা হচ্ছে তারপর জিজ্ঞাসাবাদ। সঠিক কারণ এবং কাগজপত্র না দিতে পারলে তাঁদের বাড়িও পাঠানো হচ্ছে।
তবে এবারে মানুষের মধ্যে সচেতনতা একটু হলেও বেড়েছে। কারণ অকারণে মানুষ বাড়ির বাইরে বেরোচ্ছেন না। পুলিশকর্মীরাও এবিষয়ে একই মত পোষণ করেছেন। তাদের বক্তব্য, মার্চ ও এপ্রিলের লকডাউনের তুলনায় এখন এই সাপ্তাহিক লকডাউনকে মানুষ বেশি মানছেন। অকারণে এই সময়ে বিশেষ কাউকে রাস্তায় দেখা যাচ্ছে না। তবে কিছু মানুষ আছে্ন যারা কোনদিনই নিয়ম মানেন না। তাই তাঁরা সেই রাস্তায় বেরোচ্ছেন। প্রসঙ্গত, গতবারে অনেক মানুষকে লকডাউন অমান্য করার জন্য আটক করেছিল পুলিশ। এইবার কি হবে সেটাই দেখার।
তবে শহর থেকে শহরতলি, গ্রাম সর্বত্রই আজ রাস্তাঘাট ফাঁকা। পাশাপাশি বন্ধ দোকান বাজারও। ধর্মতলা, পার্ক স্ট্রিট চত্বরে দেখা মেলেনি কারও। সিঁথির মোড়, উল্টোডাঙায় পুলিশি নজরদারি চলছে। এছাড়া রাসবিহারী, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতেও মোড়ে মোড়ে চলছে পুলিশি তল্লাশি। কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তেও লকডাউনের ছবিটা একইরকম। গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন ছাড়া বিশেষ বাইরে বেরতে কাউকেই দেখা যাচ্ছে না।





