আরও পড়ুন- অভিষেকের সভা শেষে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা, মহিলাদেরও মারধর, অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে
এক সময় যাঁরা মমতার সহ যোদ্ধা ছিলেন তাঁরাই এখন বিভিন্ন সভা মঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তুলোধোনা করছেন। চুপ করে বসে নেই তৃণমূল সুপ্রিমোও। নন্দীগ্রামে এবার তাঁর বিরুদ্ধেই শুভেন্দু অধিকারী দাঁড়িয়েছেন। যথারীতি অধিকারীদের প্রতি আক্রমণের তীব্রতা অনেকটাই বেশি মমতার তরফ থেকে।
তবে দলত্যাগী মুকুল রায়ের প্রতি তাঁর স্নেহ যে খানিকটা হলেও বর্তমান, তা মঙ্গলবার বুঝিয়ে দিলেন খোদ মমতাই। নন্দীগ্রামে প্রচারের শেষ দিনে বলে গেলেন, “শুভেন্দুর মতো অত খারাপ না মুকুল। মুকুল বেচারা থাকে কাঁচরাপাড়ায়। ভাটপাড়া, জগদ্দল, নৈহাটি ওর পরিচিত জায়গা। ওঁকে টিকিট দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে কৃষ্ণনগর।”
আরও পড়ুন- অশোক দিন্দা উপর হামলা তৃণমূলের, বিডিও অফিসে ঢুকে নিজেকে বাঁচালেন বিজেপি প্রার্থী
গতকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার সকলের নজর ছিল নন্দীগ্রামে। একদিকে শুভেন্দু অধিকারীর প্রচারে অমিত শাহ্, মিঠুন চক্রবর্তী, অন্য দিকে একাই একশো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মেয়ের ছিল তিনটি সভা, দু’টি পদযাত্রা। বক্তৃতায় একটি বড় অংশে তিনি সন্ত্রাস, ভয় দেখানোর অভিযোগ আনলেন বিজেপির বিরুদ্ধে।
একদা ভাই শুভেন্দু প্রসঙ্গে বললেন, “২০১৪ সাল থেকে গদ্দারি করছে। কেউটে সাপ। ভাগ্যিস, ভোটের আগে বিদায় নিয়েছে। না হলে ৪০ জন এমএলএ কিনে নিয়ে বলত, সরকার ভেঙে দেবে।”
এরপরই বহিরাগত শাহ্কে উদ্দেশ্যে করে এর পরই মমতা বলেন, “নিজের লোকেরা বিজেপিতে টিকিট পেল না। আমায় গাল দেয়। জয়প্রকাশ-সহ অনেককে দেয়নি। অথচ সিপিএমের হার্মাদ আর তৃণমূলের গদ্দাররা টিকিট পেয়েছে। অমিত শাহ্ ভুল খেললেন, নিজের লোকদের ঠকালেন। তৃণমূল ভাঙতে গিয়ে নিজের দলটা ভেঙে দিলেন। সব তো ধার করা। জেতার পরে থাকবে তো?”
তৃণমূলে মুকুল রায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে দূরত্ব ছিল দেখার মতো। তবে সেসব পুরনো দিনের কথা। এখন দু’জনেই বিজেপিতে। আগের দিন শুভেন্দু’র বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে মুকুলকে সাক্ষী মেনেছিলেন মমতা। এদিন বলেন, “মুকুল বেচারা থাকে কাঁচরাপাড়ায়। তাঁকে টিকিট দিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে কৃষ্ণনগর। তবে আমি বলব মুকুল শুভেন্দুর মতো অত খারাপ নয়। ওরা ভাল থাকুক, সুখে থাকুক। আবার আসবে বলে ১৫ জন লাইন দিয়েছে। ভোটে ভাল করে কাজ করুক, তারপর দেখব। তবে যে গদ্দারি করেছে তাকে নেব না।” মমতা এদিনও অভিযোগ করেন, “গুন্ডামি করা হচ্ছে। হোম মিনিস্টার উসকানি দিচ্ছেন। গোটা দেশ থেকে নন্দীগ্রামে টাকা আসছে। হিন্দু-মুসলমান ভাগাভাগির চেষ্টা হচ্ছে। এটা নন্দীগ্রামের সংস্কৃতি নয়।” জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী মমতা কর্মীদের সংযত থাকতে বলেন।






‘ভগবান শুধু আশা দেন, কাজ কিছুই করেন না!’ ঈশ্বরকে নিয়ে বিস্ফো’রক জাভেদ আখতার