দিনহাটার পর শান্তিপুরে রহস্য জনক মৃত্যু এক বিজেপি কর্মী সহ ২ জনের। এদিন সকালে নৃসিংহপুর মেথিডাঙা এলাকায় কলাবাগানের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় দুই স্থানীয় যুবক দীপঙ্কর বিশ্বাস ও প্রতাপ বর্মনের ক্ষতবিক্ষত দেহ।
সকালে থানায় গিয়ে মৃত প্রতাপ বর্মনকে দলীয় কর্মী বলে দাবি করেন শান্তিপুরের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। তবে কী কারণে এই জোড়া খুন খতিয়ে দেখছে শান্তিপুর থানার পুলিশ।
দলীয় কর্মী খুনের প্রতিবাদে আগামীকাল ১২ ঘণ্টা শান্তিপুর বিধানসভা এলাকায় বন্ধের ডাক দিয়েছে বিজেপি।
উল্লেখ্য, অন্যদিকে, ভোটের আগে রাজনৈতিক সংঘর্ষের বলি হলেন এক তৃণমূল কর্মী। আহত হন উভয়পক্ষের ৬ জন। ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুরের বেলেগাছিতে।
শাসক দলের তরফে অভিযোগ, গতকাল রাতে প্রচার কাজ সেরে ফেরার পথে, তাঁদের কর্মীদের উপর লাঠি-রড নিয়ে চড়াও হয় আব্বাস সিদ্দিকীর দল আইএসএফ ও সিপিএম কর্মীরা। মারধরের জেরে আহত হন ৫ তৃণমূল কর্মী।
আরও পড়ুন- ‘নিজের পায়ে দাঁড়াতে না, আবার বাংলাকে দাঁড় করাবে কী করে’, মমতাকে বেলাগাম আক্রমণ দিলীপের
পরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতাল থেকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়ার পথে, মৃত্যু হয় বছর ষাটের তৃণমূল কর্মী রুহুল আমিন মিদ্যা। আইএসএফের পাল্টা অভিযোগ, সিপিএমের সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন হামলা চালায় তৃণমূল কর্মীরা। দু’ পক্ষের সংঘর্ষে আহত হন সংযুক্ত মোর্চার ২ কর্মী।
এনিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে তৃণমূল। এই ঘটনায় সংযুক্ত মোর্চার ৭ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।





