ইয়েতির সন্ধান পেলেন ভারতীয় সেনা। টুইটারে ছবি প্রকাশ।
30/04/2019
হিমালয়ের রহস্যময় বাসিন্দা ইয়েতি নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। আজ অবধি এই বিশালাকার পাহাড়ি গুহামানবের কথা শোনা গিয়েছে মাত্র, কিন্তু এদের অস্তিত্বের বিষয়ে জোড়ালো কোনো তথ্য বা প্রমাণ মেলেনি। যদিও নেপাল, তিব্বতের গ্রামবাসীরা ভীষণ ভাবে বিশ্বাসী ইয়েতির অস্তিত্ব নিয়ে। এবার সেই ইয়েতির অস্তিত্বেরই দাবী জানালেন ভারতীয় সেনা। টুইটারে ভারতীয় সেনার জনসংযোগ বিভাগের তরফ থেকে কিছু ছবি
ফের গুগল প্লে স্টোরে ফিরে এলো জনপ্রিয় টিকটক৷
29/04/2019
ভারতে টিকটক অ্যাপটি রিলিজ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা প্রচন্ড ভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। এই অ্যাপটিকে ব্যবহার করে নানান ধরণের ছোটো ছোটো ভিডিও বানাতেন অ্যাপটির ইউজাররা। কিন্তু এই অ্যাপটির জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে কিছু ইউজার বিভিন্ন অপ্রীতিকর ভিডিও বানানো এবং আপলোড করা শুরু করেন। যার থেকেই এই অ্যাপটিকে নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এরপর এই অ্যাপটি বর্তমান তরুণ
ভোট চলাকালীনই ঘুমের রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
29/04/2019
আজ রাজ্যের ৮ টি লোকসভা কেন্দ্রে চলছে চতুর্থ দফার ভোট। ভোটে চারিদিকে যখন অশান্তি, তখন নিরাপত্তার খাতির রাজ্যের মানুষ প্রতিটি বুথে চাইছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী। পুলিশে আস্থা হারালেও কেন্দ্রীয় বাহিনীতে আস্থা রেখেছিলেন সাধারণ মানুষ৷ কিন্তু সেই আস্থার মূল্যই দিতে পারলেননা জামালপুরের আমড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮০ নম্বর বুথে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা৷ সকাল থেকে শান্তিপূর্ণভাবেই
দুবরাজপুরে বুথে চললো গুলি সঙ্গে ইট-পাটকেল।
29/04/2019
সকাল থেকেই রাজ্যের চতুর্থ দফার ভোটে বিভিন্ন অশান্তি উত্তেজনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু বুথে গুলি চালনার খবর এই প্রথম। বীরভূমের দুবরাজপুরের পদুমায় বুথের ভেতরে গুলি চালালো কেন্দ্রীয় বাহিনী৷ সকাল থেকে দুবরাজপুরের পদুমায় ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ভাবে হলেও মোবাইল ফোন জমা নেওয়ার বিষয়টিকে নিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে বচসা বাঁধে গ্রামবাসীর৷ মোবাইল জমা রাখার সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছ
“কুচ নেহি হুয়া হে, সব আচ্ছা চল রাহা হে” দাবী বিশেষ পর্যবেক্ষকের।
29/04/2019
সকাল থেকেই চতুর্থ দফার ভোটে রাজ্যের আটটি লোকসভা কেন্দ্র থেকেই নানান উত্তেজনা, অশান্তির খবর পাওয়া যাচ্ছে৷ দুবরাজপুর, নানুর, বারবনি, জামুরিয়া, জেমুয়া প্রভৃতি অঞ্চলের পরিস্থিতি যথেষ্ঠ উত্তপ্ত। দফায় দফায় হয়েছে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ। তবুও ভোট নাকী শান্তিপূর্ণভাবেই হচ্ছে আজ, এই বক্তব্যই পেশ করলেন কেন্দ্রীয় বিশেষ পর্যবেক্ষক। এবারে কেন্দ্রীয় বিশেষ পর্যবেক্ষকের ভূমিকায় রয়েছেন অজয় নায়েক। প্রতিটি দফার ভোটে
রামপুরহাটে কেন্দ্র বনাম রাজ্য বচসা।
29/04/2019
রামপুরহাটের দখলবাটি এলাকার ৮২ এবং ৮৩ নম্বর বুথের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা এখনও অব্যাহত। অভিযোগ এসেছিল যে কিছু তৃণমূল কর্মীরা এই দুই বুথে বিজেপি সমর্থক এবং সাধারণ ভোটারদের ভোট দিতে বাঁধা দান করছে৷ এরপরই উত্তেজনা ছড়ায় সেই দুই বুথে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছালেও, তার ঠিক পেছোন পেছোনই সেখানে হাজির হন রামপুরহাট থানার
পুলিশের লাঠি কেড়ে নিয়ে ছুটে পালালো দুষ্কৃতি।
29/04/2019
আজ চতুর্থ দফার ভোটে সকাল থেকেই নানান স্থানে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেই উত্তেজনার পারদ কিছুমাত্রও কমেনি। বরং নানান স্থান থেকে নতুন করে উঠে আসতে থাকে অসন্তোষের খবর। ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে নলহাটির হাবিসপুর। চলছে পুলিশের লাঠিচার্জ। আঙুল সেই তৃণমূল কর্মীদের দিকে। সাধারণ ভোটার এবং বিজেপি সমর্থকদের অভিযোগ যে তাদের ভোট দানে বাঁধা
নজরবন্দী থাকবেন অনুব্রত। রায় হাইকোর্টের।
29/04/2019
ভোট কর্মীদের অভিযোগে আজ ভোটের দিন সকাল থেকেই তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে নজরবন্দী করে রাখার নির্দেশ দেয় নির্বাচন কমিশন৷ এরপর সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু লাভের লাভ হলো না৷ অনুব্রত মন্ডলকে নজরবন্দী করে রেখে নির্বাচন কমিশন বেআইনি কাজ করছে এই অভিযোগ নিয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে মামলা দায়ের
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা অনুব্রত মন্ডলের।
29/04/2019
ভোটের দিন সকাল থেকেই ভোট কর্মীদের অভিযোগের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে গৃহে নজরবন্দী করে রাখা হয়৷ সকাল থেকে গৃহে থাকলেও একসময় তিনি বাইকে চেপে হেলমেট বিহীন ভাবে ভোট দিতে যান বুথে। বুথ থেকে ভোট দিয়ে বেড়োনোর সময়ই তিনি জানান নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তাঁর মামলার কথা৷ এদিন ভোট দিয়ে বেড়োনোর
চাপড়ার ডোমপুকুরে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষ।
29/04/2019
রাজ্যে চলছে চতুর্থ দফার ভোট। বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে টানটান উত্তেজনা। চাপড়ার ডোমপুকুরের একটি বুথে উত্তেজনা ছড়ায় সেখান বিজেপি প্রার্থীকে কেন্দ্র করে। তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ আনা হয় যে, ভোট চলাকালীন বুথের ভেতর নিজের ফোন নিয়ে ঢুকে পরেন সেখানকার বিজপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবে৷ এরপরই তাকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে তৃণমূল কর্মীরা৷ বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবের