কোয়রেন্টাইন সেন্টারের পর রাজ্যে চালু হচ্ছে করোনা আক্রান্তদের জন্য নতুন প্রকল্প। নাম সেফ হোম সেন্টার। ঘোষণায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কি কার্যকারিতা এই প্রকল্পের? মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন যাঁদের সামান্যতম করোনা উপসর্গ আছে তাঁদের জন্য রাজ্যে সেফ হোম সেন্টারের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১৪০ টি সেফ হোম সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
যদি প্রয়োজন পরে তাহলে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নিজের বাড়িও ছেড়ে দিতে চান মুখ্যমন্ত্রী। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন সেফ হোম সেন্টার প্রকল্পে এখনও পর্যন্ত ১৪০ টি কেন্দ্র তৈরি করা হয়েছে। প্রয়োজন পড়লে তিনি নিজের বাড়ি দিয়ে দিতে পারেন বলেও জানান। মুখ্যমন্ত্রীর যাঁদের স্বল্প উপসর্গ রয়েছে, তাঁদের হাসপাতালে না রেখে, সেফ হাউসে রাখা হবে। সেখানে চিকিৎসরা গিয়ে খোঁজ খবর নেবেন।
করোনা চিকিৎসায় হাসপাতালে বেড অমিল, এই অভিযোগ কানে গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী, তথা স্বাস্থ্য মন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রতি ঘন্টায় হাসপাতালগুলিকে জানাতে হবে, তাঁদের হাসপাতালে বেডের সংখ্যা কত।
পাহাড় কিংবা দুর্গম এলাকায় কাজ করা রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিফিকান্ট এরিয়া ইনসেন্টিভ দেওয়া হয়। এবার তার আওতায় আনা হয়েছে কোভিড হাসপাতালগুলিকে। এখানে কাজ করলে জুনিয়র চিকিৎসকদের ইনসেনটিভ মিলবে।
চিকিৎসক পড়ুয়া ছাত্রদের এবার থেকে কোভিড হাসপাতালগুলিতে কাজের সুযোগ করে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই কাজ করলে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ছাত্রদের কোভিড ওয়ারিয়র্স সার্টিফিকেচ দেবে সরকার। অন্যদিকে নম্বরের ক্ষেত্রে তাঁদের ১০ শতাংশ অতিরিক্ত গ্রেস দেওয়া হবে।





