কংগ্রেসের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ রাহুল গাঁধীর।
23/05/2019
২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে সম্ভাব্য জয়লাভ করে ফের দ্বিতীয়বারের জন্য একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে দেশে ফিরতে চলেছে বিজেপি সরকার। কংগ্রেসের অধিকারে আপাতত ৮৬ টি আসন। এমতাবস্থায় এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নিওয়ার কথা জানালেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধী৷ আজ নরেন্দ্র মোদী তথা বিজেপিকে তাদের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানানোর পর কংগ্রেস সভাপতি কংগ্রেসের এই পরাজয়ের দায় নিলেন পুরোটা
নরেন্দ্র মোদীকে অভিনন্দন জানালেন রাহুল গাঁধী৷
23/05/2019
লোকসভা নির্বাচনের গণনা শুরুর পরই বোঝা গিয়েছিল যে এবারেও একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে দেশে ফিরতে চলেছে বিজেপি সরকার। সম্ভাব্য ৩০০ টিরও বেশি আসন পেয়ে এবারে ফের কেন্দ্রে শাসন ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপি। কেন্দ্রে বিজেপির জয় নিশ্চিত হতেই কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধী জানালেন তাঁর প্রতিক্রিয়া। তিনি শুরুতেই জয়ের জন্য অভিনন্দন জানান নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপিকে। এরপর
ইভিএম -এ কারচুপির অভিযোগ বিষ্ণুপুরের তৃণমূল প্রার্থীর৷
23/05/2019
২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের গণনা চলেছে। গণনাতে সারা দেশ জুড়ে গেরুয়া ঝড়। পশ্চিমবঙ্গেও পাওয়া গিয়েছে সেই ঝড়ের আভাস। এখনও অবধি যা খবর, তাতে পশ্চিমবঙ্গের ৪২ টি আসনের মধ্যে ২২ টি এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল এবং ১৯ টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। এরমধ্যে বিষ্ণুপুরেও তৃণমূল প্রার্থী শ্যামল সাঁতরাকে পিছনে ফেলে এগিয়ে রয়েছেন বিজপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁ৷ প্রায় ৭৫৫৩২
দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলপ্রকাশ৷ জয়ী বিজেপি প্রার্থীরা৷
23/05/2019
সকাল থেকে গণনা শুরু হওয়ার পরই পশ্চিমবঙ্গে ইঙ্গিত মিলেছিল গেরুয়া ঝড়ের। বোঝা যাচ্ছিল যে, এবারে তৃণমূলের ৪২ এ ৪২ পাওয়া অসম্ভব। তারমধ্যে যে সমস্ত কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়েছিলো তাদের মধ্যে সকাল থেকেই ৫ টি কেন্দ্রে এগিয়ে ছিল বিজেপি এবং তিনটিতে তৃণমূল। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ভাবে এগিয়ে ছিল ভাটপাড়ার অর্জুন পুত্র পবন। এরপর বেলা বাড়ার সঙ্গেই ঘোষণা
জয়ের আভাস পেয়ে প্রথম কি প্রতিক্রিয়া দিলেন মোদী?
23/05/2019
আজ সকাল থেকে শুরু হয়েছে ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের ভোট গণনার কাজ। আর গণনার শুরু থেকেই ইঙ্গিত মিলেছে দেশ জুড়ে গেরুয়া ঝড়ের। এখন অবধিও গণনার যা ইঙ্গিত তাতে একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়েই ফের কেন্দ্রে আসতে চলেছে বিজেপি। শেষ ৩৫ বছরে সম্ভাব্য পর পর দুবার একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি দল কেন্দ্রের ক্ষমতায় এসে গড়তে চলেছে
গণনার মাঝেই চাঙ্গা শেয়ার বাজার। সেনসেক্স ছুঁল ৪০ হাজার।
23/05/2019
চলছে ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের গণনা। আর গণনা শুরু হতেই সকাল থেকে এই পর্যন্ত যা ইঙ্গিত তাতে বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে ফের কেন্দ্রে আসতে চলেছে মোদী সরকার-ই। মূলত এই আভাস পাওয়ার পরই চাঙ্গা হয়ে ওঠে শেয়ার বাজার। আজ বাজার খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই রেকর্ড গড়ে ৪০ হাজারের ঘর ছুঁল সেনসেক্স। সঙ্গে বেড়েছে নিফটিও, ইতিমধ্যেই তা পেরিয়েছে
লোকসভা নির্বাচন ২০১৯ এর সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম প্রতিক্রিয়া
23/05/2019
চলছে লোকসভা নির্বাচন ২০১৯ এর গণনা পর্ব। এখনও যা ইঙ্গিত রয়েছে তাতে বলা যায় যে দেশ জুড়ে গেরুয়া প্রাধান্য অব্যাহত। সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও রয়েছে এবারে গেরুয়া ঝড়৷ শেষ দফার ভোটের পর বুথ ফেরত সমীক্ষায় প্রায় এই একই ফলাফল উঠে এলেও সেসময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মন্তব্য করেছিলেন যে তিনি বুথ ফেরত সমীক্ষাকে মানেননা। বুথ ফেরত সমীক্ষা সবটাই
বাঁকুড়া এবং আসানসোলে রেকর্ড সংখ্যক ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী। চলছে সেলিব্রেশন।
23/05/2019
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইঙ্গিত মিলেছে যে, এবারে রাজ্যে আর ৪২ এ ৪২ হচ্ছেনা তৃণমূলের। বরং তৃণমূলের চিন্তা বাড়িয়ে একের পর এক আসনে এগিয়ে যাচ্ছেন বিজেপি প্রার্থীরা। এদের মধ্যো রেকর্ড সংখ্যক ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন বাঁকুড়া এবং আসানসোলের বিজেপি প্রার্থী যথাক্রমে সুভাষ সরকার এবং বাবুল সুপ্রিয়৷ আসানসোল কেন্দ্রে এই মুহূর্তে প্রায় ৬০ হাজার ভোটে তৃণমূল প্রার্থী
বেলা বাড়তেই আনন্দের উচ্ছ্বাস রাজ্য বিজেপি দপ্তরে। বিলি হচ্ছে মিস্টি এবং মোদী জামা।
23/05/2019
আজ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার দিন৷ গণনা হচ্ছে একের পর এক লোকসভা কেন্দ্রের ভোট। এবং ইঙ্গিত যা মিলেছে তাতে স্পষ্টই যে, এবারেও গেরুয়া ঝড়ে ডুবে রয়েছে গোটা দেশ৷ সর্বত্রই নমো -র জয়জয়কার। দিল্লির বিজেপি দপ্তরের সম্মুখে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে হোম-যজ্ঞ। এই আনন্দের উচ্ছ্বাসে ভেসেছে পশ্চিমবঙ্গেরও মুখ্য বিজেপি দপ্তর। গুজরাট, রাজস্থানের মতো বাংলায় সর্বাধিক আসন
শুনশান কলকাতার পথঘাট। রাজ্য জুড়ে যেন চলছে বন্ধ্ পালন।
23/05/2019
আজ ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের দিন৷ না, এর জন্য কোনো ছুটি বা বন্ধ ডাকা হয়নি রাজ্য জুড়ে। তবে কার্যত আজ অঘোষিত বন্ধেরই চেহারা নিয়েছে রাজ্য। আজ সকালে কলকাতা তথা গোটা রাজ্যের প্রায় একই চেহারা। নেই তেমন যানবাহন। না রয়েছে সমস্ত দোকাটপাট খোলা। কলকাতা সহ সমস্ত রাজ্য জুড়েই আজ যানবাহনের সংখ্যা একদমই কমে গিয়েছে।